Coffee & Vanilla
বান্ধবীর বিয়ের উৎসবে এক অদ্ভুত ঘটনার সাক্ষী হয় রাইসা। হঠাৎ করেই পাত্রের খালাতো ভাই ফারহানের পক্ষ থেকে আসে এক উদ্ভট প্রস্তাব—মাত্র পাঁচ দিনের জন্য প্রেমিকা সাজার আবদার! শুরুতে বিরক্তি আর খুনসুটি দিয়ে শুরু হওয়া এই 'কফি ও ভ্যানিলা'র মতো তিক্ত-মিষ্টি সম্পর্কটি কি কেবল সময়ের খেলা, নাকি হৃদয়ের গভীর টান? লন্ডনের আভিজাত্য, ভুল বোঝাবুঝি আর হঠাৎ বিচ্ছেদের নীরবতা ভেদ করে রাইসা কি খুঁজে পাবে তার সেই পাঁচ দিনের অসমাপ্ত গল্পের শেষটা?
সূচিপত্র ও সিজনসমূহ
← সকল সিরিজVolume 1
বান্ধবীর বিয়ের উৎসবে এক অদ্ভুত ঘটনার সাক্ষী হয় রাইসা। হঠাৎ করেই পাত্রের খালাতো ভাই ফারহানের পক্ষ থেকে আসে এক উদ্ভট প্রস্তাব—মাত্র পাঁচ দিনের জন্য প্রেমিকা সাজার আবদার! শুরুতে বিরক্তি আর খুনসুটি দিয়ে শুরু হওয়া এই 'কফি ও ভ্যানিলা'র মতো তিক্ত-মিষ্টি সম্পর্কটি কি কেবল সময়ের খেলা, নাকি হৃদয়ের গভীর টান? লন্ডনের আভিজাত্য, ভুল বোঝাবুঝি আর হঠাৎ বিচ্ছেদের নীরবতা ভেদ করে রাইসা কি খুঁজে পাবে তার সেই পাঁচ দিনের অসমাপ্ত গল্পের শেষটা?
পাঁচ দিনের অদ্ভুত শর্ত
বান্ধবীর বিয়েতে এসে এক অদ্ভুত পরিস্থিতির শিকার হয় রাইসা। সিঁড়ির মুখে দাঁড়িয়ে থাকা হ্যান্ডসাম কিন্তু কিছুটা 'ভ্যাম্পায়ার' স্বভাবের ফারহান হঠাৎ করেই তার হাতে এক অদ্ভুত চিহ্ন এঁকে দেয়। কোনো পূর্বপরিচয় ছাড়াই ছুঁড়ে দেয় এক অবিশ্বাস্য প্রস্তাব—মাত্র পাঁচ দিনের জন্য তার প্রেমিকা হতে হবে! এই অদ্ভুত আবদারের পেছনে আসলে কি লুকিয়ে আছে?
রিকশায় খুনসুটির বিকেল
নিজেকে প্রেমিকা হিসেবে দাবি করা লোকটার অধিকারবোধ দেখে রাইসা হতভম্ব। লন্ডনের বিলাসী জীবন ছেড়ে ফারহান যখন রাইসার সাথে রিকশায় চড়ে বসে, তখন দূরত্বের দেয়ালটা কি একটু একটু করে সরতে শুরু করে? মেলায় হাওয়াই মিঠাই ভাগ করে নেওয়ার মুহূর্তটি কি কেবল অভিনয়, নাকি মনের অজান্তেই ভালোলাগার শুরু?
হেডফোনে অনুভূতির ভাগাভাগি
সন্ধ্যাবেলায় দোলনায় বসে একই হেডফোনে গান শোনার মুহূর্তটি যেন সবকিছু থমকে দেয়। ফারহান স্পষ্ট জানিয়ে দেয় সে কেবল 'অভিজ্ঞতা' সঞ্চয়ের জন্য এই সম্পর্কের নাটক করছে, যা শুনে রাইসার মনে অদ্ভুত এক বিষাদের ছায়া নামে। পাঁচ দিন পর সব শেষ হয়ে যাবে জেনেও কেন এই ক্ষণস্থায়ী মুহূর্তগুলো এত গভীরভাবে নাড়া দিচ্ছে?
মিথ্যে সম্পর্কের আড়ালে
সকালের মিষ্টি মুহূর্তটি নিমিষেই ধূলিসাৎ হয়ে যায় একটি গোপন ফোনালাপে। রাইসা জানতে পারে মিতিকা নামের এক প্রাক্তনের কথা এবং ফারহানের তিন দিনের সম্পর্কের ইতিহাস। তবে কি রাইসার সাথে এই পাঁচ দিনের সম্পর্কও ফারহানের কাছে কেবল আরেকটি খেলা? ভালোবাসার মিথ্যে অভিনয়ের আড়ালে কি সত্যিকারের কোনো অনুভূতি জন্ম নিচ্ছে?
অভিমানের রঙ হলুদ
ফারহানকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত নেয় রাইসা, যা ফারহানের ইগোতে গিয়ে আঘাত করে। একটি বন্ধ ঘরের নির্জনতায় জমে থাকা সব অভিমান আর ভুল বোঝাবুঝির পাহাড় কি ভেঙে পড়বে? ফারহানের অতীতে লুকিয়ে থাকা প্রতারণার গল্প শুনে রাইসা কি পারবে তাকে ক্ষমা করতে, নাকি দূরত্ব আরও বাড়বে?
বিদায়ের আগের লুকোচুরি
বিয়ের অনুষ্ঠানে রাইসাকে জেলাস করার জন্য ফারহান অন্য কারো সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার ভান করে। কিন্তু এই খেলার মাঝেই ফারহান রাইসাকে এমন কিছু গোপন ছবি দেখায় যা প্রমাণ করে এই পাঁচ দিন সে প্রতিটি মুহূর্ত হৃদয়ে ধারণ করেছে। কিন্তু হাসি আর সুখের এই মুহূর্তগুলো কি স্থায়ী হবে, নাকি হঠাৎ করেই সবকিছু মিলিয়ে যাবে শূন্যতায়?
লন্ডনে অচেনা রেশ
দীর্ঘ এক মাসের নীরবতা আর বুকভরা কষ্ট নিয়ে কলেজ ক্যাম্পের জন্য লন্ডনে পাড়ি জমায় রাইসা। ভাগ্যক্রমে সেখানে আবার দেখা হয় ফারহানের সাথে। কিন্তু যে মানুষটি একদিন পাগলের মতো অধিকার ফলাতো, সে আজ রাইসাকে দেখেও না দেখার ভান করে চলে যায়। এই অবহেলার পেছনে কি কোনো গভীর কারণ আছে, নাকি সত্যিই সব শেষ?
মুখোশধারী আগন্তুক
লন্ডনের পার্টিতে ফারহানের আচরণ রাইসাকে বিভ্রান্ত করে তোলে। একদিকে অবহেলা, অন্যদিকে আড়চোখে তাকানো—ফারহানের মনের খবর বোঝা দায়। কিন্তু সবকিছু ওলটপালট হয়ে যায় যখন রাইসা দেখে সেই মিতিকা নামের মেয়েটি ফারহানের পাশে। তবে কি ফারহান তার পুরোনো ভালোবাসার কাছেই ফিরে গেছে?
অনুশোচনার অশ্রু
একটি থাপ্পড় যেন দীর্ঘদিনের জমে থাকা সব ক্ষোভ আর অভিযোগের বিস্ফোরণ ঘটায়। ফারহানের হঠাৎ চলে যাওয়ার আসল কারণ—বাবার অসুস্থতা—জানার পর রাইসার পৃথিবী টলে ওঠে। ভুল বোঝাবুঝির দেয়াল ভেঙে যাওয়ার পর, এয়ারপোর্টে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে কি তাদের বিচ্ছেদ আটকানো সম্ভব হবে?
কফি ও ভ্যানিলার সমীকরণ
সব ঝড় শেষে বাংলাদেশে ফিরে আসে সেই পুরোনো খুনসুটি আর ভালোবাসা। কফির তিক্ততা আর ভ্যানিলার মিষ্টির মতোই তাদের সম্পর্কের মান-অভিমান এক নতুন পূর্ণতা পায়। ক্যাফেতে বসে সবার সামনে যে প্রস্তাবটি আসে, তা কি সেই পাঁচ দিনের চুক্তির সমাপ্তি ঘটিয়ে সাত জন্মের বন্ধনে আবদ্ধ করবে?