হৃদয়ের কোণে
শৈশবের একতরফা ভালোবাসার নির্মম অবহেলা আর কলঙ্কের মুখে দাঁড়িয়ে পিষ্ট তরুণী নিরা। যখন সমস্ত পৃথিবী তার বিরুদ্ধে, তখনই ত্রাতা হয়ে আসে গম্ভীর ডাক্তার রাফিন। শাসন আর পরম সুরক্ষার আবরণে রাফিন কি পারবে নিরার হৃদয় জয় করতে, নাকি নিয়তির নির্মম পরিহাসে তাদের ভালোবাসার স্বপ্ন আজীবনের হাহাকারে পরিণত হবে?
উপন্যাসটির প্রথম সিজন সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে (মোট ৪৮ পর্ব)। গল্পটির প্রতিটি পর্ব কোনো চার্জ বা ডাউনলোড ছাড়াই GolpoHub-এ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অনলাইনে পড়া যাবে।
গল্পের বিশেষত্ব ও হাইলাইটস
মোহমুক্তি ও পরিপক্ব ভালোবাসার সন্ধান
বাল্যকালের অন্ধ আবেগের বিষাক্ত ছোবল থেকে মুক্ত হয়ে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ভালোবাসার জয়গান।
যৌথ পরিবারের পারিবারিক বন্ধন
চাচা-চাচি, ভাই-বোন ও মা-বাবার সম্মিলিত ভালোবাসা, খুনসুটি এবং বিপদে পাশে দাঁড়ানোর অপূর্ব চিত্রায়ণ।
সুরক্ষা, দ্বীনি মূল্যবোধ ও অমর বিচ্ছেদ
আধ্যাত্মিক অনুশাসন ও শুদ্ধ প্রেমের পরশে জীবনের পূর্ণতা প্রাপ্তি এবং এক মর্মস্পর্শী চিরন্তন বিচ্ছেদ।
প্রধান চরিত্রসমূহ
6নিরা
নায়িকা (Protagonist)যৌথ পরিবারের আদুরে ও প্রাণবন্ত তরুণী। শৈশবে ভুল ভালোবাসার শিকার হয়ে অপমানের বোঝা বইলেও রাফিনের ভালোবাসায় আত্মবিশ্বাস ফিরে পায়।
ডা. রাফিন হোসাইন
নায়ক (Male Lead)গম্ভীর, অনুশাসনপ্রিয় অথচ অন্তরে অতল ভালোবাসার আধার এক তরুণ ডাক্তার। নিরাকে সমস্ত বিপদ থেকে আগলে রাখা ও সুপথে পরিচালিত করাই তার জীবনের ব্রত।
তুহিন
প্রতিপক্ষ / অনুতপ্ত চরিত্রনিরার বাল্যপ্রেম ও প্রতিবেশী। নিরার ভালোবাসাকে চরম অপমান ও ষড়যন্ত্রে ধূলিসাৎ করলেও পরবর্তীতে নিজের ভুল বুঝে গভীর অনুশোচনায় দগ্ধ হয়।
কৌশিক
সহায়ক চরিত্র (বড় ভাই)নিরার বড় চাচাতো ভাই ও পরম ভরসা। বন্ধুর মতো দুষ্টুমি আর নিঃশর্ত ভালোবাসায় বোনদের সর্বদা পাহারা দেয়।
কাশফি
সহায়ক চরিত্র (চাচাতো বোন)নিরার সমবয়সী চাচাতো বোন। তূর্যের সাথে গভীর প্রেমে জড়িয়ে পারিবারিক জটিলতায় নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়।
তূর্য
সহায়ক চরিত্রতুহিনের আদর্শবান বড় ভাই। কাশফির ভালোবাসায় নিবেদিতপ্রাণ এবং পরিবারের সম্মান রক্ষায় আত্মত্যাগী ব্যক্তিত্ব।
সূচিপত্র ও সিজনসমূহ
48 টি অধ্যায়
প্রথম খণ্ড: অপমানের দহন ও অমর অনুরাগ
শৈশবের একতরফা ভালোবাসার নিষ্ঠুর অবহেলা, পারিবারিক কলঙ্ক ও ষড়যন্ত্র কাটিয়ে রাফিনের পরম আশ্রয়ে নিজেকে ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি এক চিরন্তন ট্র্যাজেডির আখ্যান।
অবিশ্বাসের আঘাত ও অবহেলার দহন
কোচিং থেকে ফিরতেই বাবার চরম ক্ষোভের মুখে পড়ে নিরা। তুহিনের এক মিথ্যা অভিযোগের কারণে বাড়ির সবার সামনে অপদস্থ হতে হয় তাকে। রাতের আঁধারে তুহিনের মুখোমুখি হয়ে নিরা জানতে চায় তার নিষ্ঠুরতার কারণ, কিন্তু প্রতিদানে জোটে কেবল সীমাহীন অবহেলা। এই নির্মম উপেক্ষার পেছনে কোন অতীত লুকিয়ে আছে?
অপ্রত্যাশিত প্রস্তাব ও ছাদের হুমকি
তুহিনের বন্ধুদের সামনে চরম লাঞ্ছনার স্মৃতি আজও নিরার মনে তাজা। বছরের পর বছর অবহেলা সয়ে নেওয়ার পর জন্মদিনের আনন্দঘন মুহূর্তে বাবার এক আকস্মিক ঘোষণায় স্তম্ভিত হয়ে যায় নিরা। তার স্বপ্নের বিয়ে ঠিক হলেও রাতের আঁধারে ছাদের নির্জনতায় তুহিনের চোখে জ্বলে ওঠে হিংস্র আক্রোশ। কী ভয়ংকর শর্ত অপেক্ষা করছে নিরার জন্য?
কলঙ্কের চক্রান্ত ও প্রতিবাদের সূচনা
একটি সাজানো এডিটেড ছবির অজুহাতে নিরার জীবনে নেমে আসে তীব্র কলঙ্কের অন্ধকার। বাবার নির্মম প্রহারে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে নিরা। বোনকে অপমানের প্রতিশোধ নিতে তুহিনের উপর চড়াও হয় কৌশিক। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে রাতের অন্ধকারে নিরাকে বাঁচাতে হাজির হয় এক গম্ভীর তরুণ ডাক্তার। সে কি পারবে সত্য উদঘাটন করতে?
সত্যের উন্মোচন ও অদৃশ্য শূন্যতা
সকালের আলো ফুটতেই নিরার নির্দোষিতার অকাট্য প্রমাণ বড়দের সামনে তুলে ধরে ডাক্তার রাফিন। অনুশোচনায় ভেঙে পড়েন নিরার বাবা। নিরার কাছে গিয়ে মিষ্টি বকাঝকা দিয়ে তাকে সুস্থ করে তোলে রাফিন। অন্যদিকে নিরাকে হারিয়ে এক অদ্ভুত শূন্যতা আর অস্থিরতায় ছটফট করতে থাকে তুহিন। তার এই ক্ষোভের পেছনে কি কোনো অনুচ্চারিত অনুভূতি লুকিয়ে?
বৃষ্টিভেজা ছাদ ও ঈর্ষার আগুন
শীতের অকাল বৃষ্টিতে ভেজার লোভে ছাদে ছুটে যায় নিরা। গান গাইতে গাইতে হঠাৎ সে দেখে সামনে দাঁড়িয়ে সেই তুহিন, যে এতদিন তাকে অবজ্ঞা করেছে। রাফিনের সাথে নিরাকে ঘনিষ্ঠ হতে দেখে হিংসায় জ্বলছে তুহিন। রাফিনের সাথে নিরার সম্পর্ক নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে যায় সে। অবহেলার পর তুহিনের এই নতুন অধিকারবোধ কি সত্যি ভালোবাসার?
কানমলার শাস্তি ও মধ্যরাতের সংঘাত
বৃষ্টিতে ভিজে জ্বর বাধানোয় রাফিনের হাতে কান ধরে দাঁড়ানোর মিষ্টি শাস্তি পায় নিরা। রাফিনের শাসন আর অপ্রকাশিত অনুরাগ নিরাকে নতুন এক লজ্জায় ফেলে। তবে রাতের সাড়ে তিনটায় তুহিনের ফোন পেয়ে ছাদে যেতে বাধ্য হয় নিরা। ভালোবাসা প্রকাশের মুহূর্তে রাফিনের আকস্মিক উপস্থিতিতে শুরু হয় এক উত্তপ্ত সংঘাত!
ডাক্তারির নকল ও পারিবারিক আড্ডা
সকালে রাফিনের চশমা আর স্টেথোস্কোপ নিয়ে একা একা অভিনয় করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে নিরা। বিকেলে একান্নবর্তী পরিবারের ক্যারাম খেলা আর রান্নার প্রতিযোগিতায় পুরো বাড়ি হাসির রোলে মেতে ওঠে। কথার ছলে রাফিনের এক গোপন ইঙ্গিত নিরাকে চরম লজ্জার মুখে ফেলে দেয়। রাফিনের হৃদয়ে নিরার জন্য ঠিক কী চলছে?
নতুন স্বপ্ন ও নিকাবের পবিত্রতা
কোচিংয়ে তুহিনের কাছে আবারও কটূক্তি আর চরম অপমানের শিকার হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে নিরা। ইয়ার লসের দুঃখে নিমজ্জিত নিরাকে নতুন পথ দেখাতে উদ্যোগী হয় রাফিন ও কৌশিক। কলেজে ভর্তির সুসংবাদ দিয়ে রাফিন নিজ হাতে নিরাকে নিকাব পরিয়ে দেয়। এই নতুন অধ্যায়ে নিরা কি পারবে অতীত ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে?
রগট ধর্মের খেলা ও পড়ার টেবিল
বই পড়ার খেয়ালে পুরো পরিবার জুড়ে কৃত্রিম ঝগড়া বাধিয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে নিরা। কিন্তু ক্লান্ত শরীর নিয়ে ঘরে ফিরে নিরার এই অদ্ভুত পাগলামি দেখে কড়া অনুশাসনে নামে রাফিন। শাসনে ও স্নেহে নিরাকে পড়ার টেবিলে বসিয়ে দেয় সে। শাসনের পেছনে লুকিয়ে থাকা রাফিনের এই অসীম অধিকারবোধ নিরাকে কেন এতটা বিচলিত করে?
অনুভূতির বীজ ও মধ্যরাতের অনধিকার
নবীনবরণ নিয়ে বন্ধুদের সাথে আলাপে বান্ধবীরা নিরাকে উপলব্ধি করায় রাফিনের গোপন ভালোবাসা। পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়া নিরার মুখপানে চেয়ে রাফিন প্রকাশ করে নিজের দীর্ঘদিনের নীরব প্রার্থনা। তবে মধ্যরাতে বারান্দার পাইপ বেয়ে নিরার ঘরে অনধিকার প্রবেশ করে এক ভয়ংকর ছায়া। নিরা কি পারবে নিজেকে রক্ষা করতে?
ছাই রঙের শাড়ি ও ছদ্মবেশী টান
কলেজের নবীনবরণে যাওয়ার অনুমতি নিতে রাফিনের রুমে গিয়ে লজ্জায় জড়সড় হয়ে পড়ে নিরা। শাড়ির রঙ নির্বাচন থেকে শুরু করে রাফিনের সাথে ম্যাচিং শার্ট পড়ার অদ্ভুত রসায়ন নিরাকে দোলা দেয়। উৎসবে দিনভর আনন্দ শেষে সন্ধ্যায় ফিরে নিরার সামনে আবারও উপস্থিত হয় তুহিন। তার এই ক্ষণিকের মিষ্টতার আড়ালে কী মতলব লুকিয়ে?
কুয়াশার স্বীকারোক্তি ও নিরব দীর্ঘশ্বাস
কনকনে শীতের রাতে তুহিনের আহ্বানে ছাদে যেতে গিয়ে নিজের মনের ভেতর অদ্ভুত এক দ্বিধাবোধ খুঁজে পায় নিরা। অবশেষে ক্ষমা চেয়ে প্রেম নিবেদন করে তুহিন। কিন্তু নিরা যখন ছাদ থেকে নামছে, সিড়িতে দাঁড়িয়ে থাকা রাফিনের বেদনাহত চাহনি নিরার বুক কাঁপিয়ে দেয়। রাফিনের নিঃশব্দ কষ্টের ভার কি নিরা বইতে পারবে?
দূরত্বের হাহাকার ও গোপন ষড়যন্ত্র
সবকিছু ছেড়ে রাফিন ফ্ল্যাটে ফিরে যাওয়ায় নিরার জীবন বিষাদময় শূন্যতায় ভরে ওঠে। তুহিনের সাথে সময় কাটালেও তার মনে শুধু রাফিনের যত্ন আর ভালোবাসার স্মৃতিই হাহাকার তোলে। তুহিন নিরাকে নিজের নতুন ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়ার গোপন প্রস্তাব দিলে সন্দেহের মেঘ ঘনায়। বন্ধুদের চোখ দিয়ে কি নিরা বুঝতে পারবে তুহিনের আসল চেহারা?
মুখোশ উন্মোচন ও বজ্রকঠিন আঘাত
বন্ধুদের পরিকল্পনায় রেস্তোরাঁয় গিয়ে তুহিনের চরম বিশ্বাসঘাতকতা নিজের চোখে দেখে নিরা। তুহিন ও তার প্রেমিকার অসম্মানজনক কথার মুখে জেগে ওঠে এক অচেনা, প্রতিবাদী নিরা। বহুদিনের অবহেলা আর লাঞ্ছনার জবাব চড় ও আঘাতে ফিরিয়ে দিয়ে নিজেকে মুক্ত করে সে। দূর থেকে এই দৃশ্য দেখে কী ভাবছে রাফিন?
ঈর্ষার দহন ও অবহেলার পরীক্ষা
একসাথে রেস্তোরাঁয় ডিনার করার সময় রাফিন ইচ্ছাকৃতভাবে নিরাকে এড়িয়ে ঝুমুরের সাথে খোশগল্পে মাতে। রাফিনের এই অবহেলা নিরার মনের ভেতর প্রবল ঈর্ষা ও অস্থিরতার জন্ম দেয়। দেরিতে বাড়ি ফেরায় বড়দের নাটকীয় বকুনি শেষে নিরা বুঝতে পারে রাফিনের প্রতি তার না-বলা টান। পরীক্ষার ঠিক আগে রাফিনের এই নীরব দূরত্ব কি নিরার মন ভাঙবে?
সিড়ির পতন ও শাসনের চরমসীমা
রাফিনের মনোযোগ কাড়তে দরজার নিচে বাজি ফাটিয়ে প্রতিশোধের সূচনা করে নিরা। ভাইবোনদের সাথে সিঁড়ি বেয়ে দৌড়াতে গিয়ে পা পিছলে গুরুতর জখম হয় সে। আহত নিরাকে কোলে তুলে নিয়ে এসে গত দুই মাসের জমানো ক্ষোভে ফেটে পড়ে রাফিন। রাফিনের সেই চরম রাগ আর অশ্রুসিক্ত শাসনের পেছনে কতটা ব্যাকুলতা লুকানো ছিল?
ভালোবাসার সংজ্ঞা ও মনের আয়না
নিজের অতীতের গ্লানিতে ডুবে থাকা নিরা পরিবারের সবার কাছে গিয়ে জানতে চায় ভালোবাসার আসল সংজ্ঞা। ছোট চাচির কঠিন অতীত আর চাচার নিঃশর্ত ভালোবাসার গল্প তাকে নতুন দৃষ্টি দেয়। বইয়ের পাতায় ভালোবাসার লক্ষণ মেলাতে গিয়ে রাফিনের কথা ভেবে নিরা নিজেই উপলব্ধি করে নিজের গভীর প্রেমের অস্তিত্ব। সে কি পারবে রাফিনকে তা জানাতে?
বেদুনির টান ও উথাল-পাতাল মন
রাফিনের নিঃশব্দ অবহেলা সইতে না পেরে অধিকার নিয়ে তার কলার চেপে ধরে নিরা। অভিমানে ঘর থেকে বের হতে গিয়ে হোঁচট খাওয়া নিরাকে বেণুনি ধরে টেনে বুকে টেনে নেয় রাফিন। পরম যত্নে পায়ে মলম লাগিয়ে নিরার কোলে মাথা রেখে রাফিন উগরে দেয় তার ভয় আর গভীর ব্যাকুলতা। রাফিনের এই গোপন আদর কি তাদের সম্পর্কের মোড় বদলে দেবে?
ঝাল কফির জ্বালা ও প্রতিশ্রুতির বন্ধন
তেলাপোকার ভয় দেখিয়ে কফি বানাতে পাঠিয়ে নিরাকে রাগিয়ে দেয় রাফিন, আর নিরা তার কফিতে মরিচ মিশিয়ে মারাত্মক কাণ্ড ঘটায়! অপরাধবোধে দই খাইয়ে দিতে গিয়ে রাফিনের মুখে জমে থাকা প্রেমের কথায় লজ্জা পায় নিরা। সিনেমা দেখা নিয়ে খুনসুটির মাঝে রাফিন নিরাকে এক রূপকথার ভ্রমণে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। কী অপেক্ষা করছে সেখানে?
ডাস্টবিন তত্ত্ব ও ছাদের কামড়
এলাকার মানুষের কটু কথায় নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দেয় নিরা। ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা নিরাকে ‘ডাস্টবিন তত্ত্ব’ বুঝিয়ে কুরুচিপূর্ণ মানুষদের অগ্রাহ্য করে মাথা উঁচু করে বাঁচার সাহস জোগায় রাফিন। কৃতজ্ঞতায় রাফিনের কাঁধে নিরার এক অপ্রত্যাশিত কামড় তাদের মধ্যে এক মিষ্টি দৌড়াদৌড়ির জন্ম দেয়। রাফিন কি নিরার সবচেয়ে বড় ঢাল হতে পারবে?
ফুলের রাজধানী ও কুয়াশার মেঠোপথ
শুক্রবার সকালে নীল কামিজ ও কাচের চুড়িতে সেজে রাফিনের সাথে গদখালী ফুলের রাজধানীতে পা রাখে নিরা। ফুলের ঘ্রাণ আর প্রজাপতিদের মাঝে হারিয়ে গিয়ে তারা শিশিরভেজা মাটিতে খালি পায়ে হেঁটে পৌঁছায় এক গ্রামীণ কুটিরে। সেখানে অচেনা দোকানির আপ্যায়ন আর ফুলবাহী গরুর গাড়িতে শুয়ে আকাশ দেখার অভিজ্ঞতা তাদের জীবনে কী অনুভূতি এনে দেয়?
ভাসমান সেতু ও একই চাদরের ওম
কেশবপুরের হনুমান গ্রাম ঘুরে পড়ন্ত বিকেলে ঝাঁপা বাওড়ের ভাসমান সেতুতে গিয়ে দাঁড়ায় নিরা আর রাফিন। সূর্যাস্তের রক্তিম আভায় নদীর হিম বাতাসে একই চাদরে শীত ভাগাভাগি করে নেয় তারা। নিরা রাফিনকে নিজের রচিত কবিতা শোনায় আর রাফিন তাকে বুকের গভীরে আঁকড়ে ধরে। প্রেমের এই মাতাল করা মুহূর্তটি কি তাদের চিরতরে বেঁধে দিল?
অজানা হুমকি ও অন্ধকার করিডোর
জরুরি মেডিকেল প্রশিক্ষণে তিন দিনের জন্য ব্যাংকক যায় রাফিন। রাফিনের অনুপস্থিতিতে ফোনে ও বারান্দায় অচেনা উড়ো চিরকুটের মাধ্যমে ভয়ংকর হুমকি পেতে শুরু করে নিরা। খালি কলেজে নোট তৈরির কাজ শেষে ওয়াশরুমে ঢুকতেই এক অচেনা লোক নিরাকে অন্ধকারের মাঝে জঘন্যভাবে হেনস্তা করে পালিয়ে যায়। কে এই অদৃশ্য শত্রু?
রক্তাক্ত কাচ ও ব্যাকুল স্বীকারোক্তি
সহপাঠীদের খেলায় রেস্তোরাঁয় হঠাৎ তুহিনের আগমন দেখে রাফিন অগ্নিশর্মা হয়ে নিরাকে তুলে নিয়ে যায়। গাড়ির কাচ ভেঙে রক্তাক্ত হওয়া রাফিনের সেবা করতে গিয়ে ভুল বোঝাবুঝি দূর করে নিরা। নিরাকে কোলে নিয়ে চুলে বিলি কেটে রাফিন স্পষ্ট জানায় তার তীব্র অধিকারবোধ ও পাগলামি। রাফিনের মুখে ‘ভালোবাসি’ শুনে নিরার মনের কী অবস্থা হয়?
আংটি বদল ও গলিত চকলেটের রাত
কৌশিকের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে দুই পরিবারে আনন্দের উৎসব নামে। গাড়িতে নিরার কামড়ের দাগ নিয়ে রাফিনের খুনসুটি নিরাকে লজ্জায় ফেলে। রাতে সবার অলক্ষ্যে নিরাকে রুমে টেনে নিয়ে ভালোবাসার উত্তর দাবি করে রাফিন। উপহারের চকলেট গলে নিরার হাত-মুখ মাখামাখির দৃশ্য রাফিনের চোখে কেমন নেশা ছড়িয়ে দেয়?
হিংস্র আক্রমণ ও রুদ্রমূর্তি
শপিংয়ের দিন অসুস্থতার কারণে একা বাড়িতে থেকে যায় নিরা। এই সুযোগে ফাঁকা বাড়িতে ঢুকে পড়ে তুহিন এবং প্রতিশোধের নেশায় নিরাকে নির্মমভাবে নির্যাতন ও লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করে। মোবাইল নিতে ভুলে যাওয়া কৌশিক ও রাফিন ঘরে ফিরে এমন দৃশ্য দেখে স্তব্ধ হয়ে যায়। রাফিনের রুদ্রমূর্তিতে রক্তাক্ত হয়ে পড়ে তুহিন!
নদীর তীরের বিচ্ছেদ ও নতুন আগন্তুক
তুহিনের এই কলঙ্কজনক অপরাধের ভার বইতে না পেরে কাশফিকে ত্যাগ করে তূর্য। নদীর তীরে তাদের বুকফাটা কান্নার বিচ্ছেদ ঘটে। এদিকে সত্য না জানানোয় নিরার উপর প্রচণ্ড রাগ করে রাফিন। অস্ট্রেলিয়ার আত্মীয়রা আসার পর রাফিনের সাথে ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠা সুন্দরী মালিহাকে দেখে নিরার বুকে তীব্র হিংসার আগুন জ্বলে ওঠে। কে এই মালিহা?
হারানোর আতঙ্ক ও উন্মাদ প্রেম
ছাদে মালিহার সাথে রাফিনের খুনসুটি দেখে নিরার অভিমান চরমে ওঠে। রাফিন নিরাকে teasing করার এক পর্যায়ে নিরা মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুললে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে রাফিন। নিরাকে হারানোর আতঙ্কে কাঁপতে কাঁপতে রাফিন নিরাকে এমন শক্ত করে জড়িয়ে ধরে যা নিরাকে স্তব্ধ করে দেয়। নিরাকে নিয়ে রাফিনের এই চরম ভয় কিসের সংকেত?
হলুদের সুর ও অকপট স্বীকারোক্তি
কৌশিকের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সারা বাড়ি আনন্দের রঙে মেতে ওঠে। নাচের ভিড়ে নিরার শাড়ির পিন খুলে গেলে পেছন থেকে এসে নিরাকে পূর্ণ আবরণে ঢেকে দেয় রাফিন। রাফিনের কড়া অনুশাসনের পর নিরার কানের কাছে ফিসফিসানি নিরাকে ব্যাকুল করে। কোনো কিছু না ভেবে রাফিনের বুক জড়িয়ে ধরে তিনবার ‘ভালোবাসি’ বলে পালিয়ে যায় নিরা!
রূদ্ধদ্বার প্রলোভন ও বিষাক্ত ছায়া
হলুদের সন্ধ্যায় হলুদ লেহেঙ্গায় অপরূপা নিরাকে দেখে অন্য মেয়েরা রাফিনের উপর নজর দেওয়ায় রাফিনকে একাকী রুমে টেনে নেয় নিরা। বন্ধ ঘরে রাফিনের মাতাল করা রোমান্স থেকে বেঁচে নিরা নিচে নামতেই ঘটে চরম বিপত্তি। মেহরাব নামের এক লোভী আত্মীয় অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে নিরাকে এক ঘরে টেনে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়!
চপেটাঘাতের ধুলো ও অনুতাপের অনল
মেহরাবের কুপ্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিতে বান্ধবীরা ঝড়ের বেগে হস্তক্ষেপ করে। এদিকে কলেজে গিয়ে রেস্তোরাঁর দিনের সত্যতা জানতে পারে নিরা। হাসপাতালের কেবিনে পঙ্গু অবস্থায় শুয়ে নিজের সব অপকর্মের জন্য অনুশোচনায় দগ্ধ হতে থাকে তুহিন। বড় ভাই তূর্যের নিখোঁজ হওয়ার খবরে তুহিনের ভেতরে শুরু হয় অপরাধবোধের দহন। তুহিন কি তূর্যকে খুঁজে পাবে?
শুভ পরিণয় ও ডায়েরির ঠিকানা
কৌশিক ও আফিয়ার শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয় দারুণ ধুমধামে। সাদা পোশাকে দেবদূতের মতো নিরাকে দেখে রাফিন তার হাত শক্ত করে ধরে চিরদিনের জন্য আগলে রাখার অটুট অঙ্গীকার করে। বাসর রাতের গেট ধরার আনন্দে মেতে ওঠে বাড়ির সবাই। অন্যদিকে ভাইয়ের খোঁজে পাগলের মতো ঘুরে অবশেষে তূর্যের গোপন ডায়েরি খুঁজে পায় তুহিন। তূর্য কি মিলবে?
পা ধরে ক্ষমা ও নতুন সংঘাতের বার্তা
তূর্যের পা জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে তুহিন, ফিরিয়ে নিয়ে আসে বাড়িতে। নতুন বউ হিসেবে শ্বশুরবাড়িতে আফিয়াকে নিয়ে চলে মজাদার প্র্যাঙ্ক। নিরার সাথে রাফিনের বৃষ্টিতে ভেজার স্বপ্নবুনন শেষ হতে না হতেই ছাদে এসে নিরার কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চায় তুহিন। কিন্তু নিচতলায় মেহরাবের নতুন চক্রান্তের আভাস পেয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে যায় দুই বোন!
পারিবারিক অন্ধত্ব ও বোনের আর্তনাদ
কাশফির সাথে লম্পট মেহরাবের বিয়ের পাকাকথা শুনে তীব্র প্রতিবাদে ফেটে পড়ে নিরা। বড়রা মেহরাবের রূপ না বুঝে নিরাকে থামিয়ে দেয়। সিড়িতে মেহরাব নিরাকে আবারও হেনস্তা করতে গেলে আঘাত করে নিজেকে বাঁচায় সে। সবার সামনে মেহরাবের পৈচাশিক চেহারা ফাঁস করে নিরা। রাফিন আর কৌশিক কি পারবে কাশফিকে এই নরক থেকে বাঁচাতে?
ছাদের গোপন বৈঠক ও মোক্ষম চাল
কাশফি ও তূর্যের ভালোবাসাকে এক করতে মাঝরাতে ছাদে গোপন মিটিংয়ে বসে রাফিন, কৌশিক, তুহিন ও নিরা। পরিবার বাঁচানোর ভয়ে তূর্য আত্মত্যাগ করতে চাইলেও তুহিন নিয়ে আসে এক অবিশ্বাস্য পরিকল্পনা। অন্যদিকে মালিহা ফায়াজের ঘর থেকে নিরার এডিটেড পুরনো ছবি চুরি করে রাফিনের পরিবারে বিষ ঢালতে প্রস্তুত। কে জিতবে এই বুদ্ধির খেলায়?
হাতেনাতে প্রমাণ ও আকস্মিক কাবিন
এনগেজমেন্টের আসরে নিরাকে হেনস্তা করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে মেহরাব। বড়দের থাপ্পড়ে অপমানিত হয়ে বাড়িছাড়া হয় তারা। পালিয়ে যাওয়া তূর্যকে অচেতন করে ধরে নিয়ে এসে বাড়ির সবার অমতে পরিবারকে রাজি করিয়ে কাশফির সাথে তূর্যের বিয়ে দেয় তুহিন। পুরো আসরে দাঁড়িয়ে রাফিন নিরাকে শোনায় এক মিষ্টি প্রস্তাব!
বিষাক্ত ষড়যন্ত্রের আঘাত ও অতল আঁধার
কাশফির বউভাতের আনন্দের পর নিরা ও রাফিনের বিয়ের তোড়জোড় শুরু হয়। কিন্তু মালিহার নোংরা কারসাজিতে নিরার পুরোনো এডিট করা ছবি দেখে রাফিনের মা নিরাকে চরম অপবাদ দেন। হঠাৎ সবার সামনে এসে রাফিন এমন এক আচরণ করে এবং নিরাকে এমন এক আঘাত দেয় যা নিরার সমস্ত বিশ্বাস ধূলিসাৎ করে দেয়। রাফিন কি সত্যিই নিরাকে ছেড়ে চলে গেল?
অপেক্ষার কান্না ও নতুন অঙ্গীকার
দুই মাস ধরে অস্ট্রেলিয়ার কোনো যোগাযোগ নেই। রাফিনের ফেলে যাওয়া সাদা শার্ট জড়িয়ে কান্নাতেই দিন কাটে নিরার। ফোনে কথা বলতে গিয়ে রাফিনের মুখে নিজের বিয়ের খবর শুনে জ্ঞান হারায় নিরা। এই নির্মম আঘাতের পর নিরা কি চিরতরে ভেঙে পড়বে, নাকি নিজের যোগ্যতায় এক নতুন সূর্য হয়ে জেগে উঠবে?
বৃষ্টির পুনর্মিলন ও নিঃশব্দ অপহরণ
টিউশনি আর কলেজ নিয়ে নিজের মতো বাঁচতে শেখে নিরা। রাতের মুষলধারে বৃষ্টিতে ভাইবোনদের আবেগময় মিলন ঘটে ছাদে। কিন্তু এক মাস পর হঠাৎ বাড়িতে সাদা শার্টে হাজির হয় রাফিন! মালিহার সাথে বিয়ের স্বাক্ষী হিসেবে নিরার সাইন দাবি করলে নিরা প্রচণ্ড অভিমানে সই করে দেয়। ছাদ থেকে রহস্যময় মুখোশধারীর হাতে অপহৃত হয় নিরা!
লাল শাড়ির বন্দিনী ও লাল শাপলা বিল
ঘুম ভেঙে নিরা দেখে সে এক বেড়ার ঘরে লাল শাড়িতে বন্দিনী, আর পাশে শুয়ে স্বয়ং রাফিন! বিয়ের রেজিস্ট্রি পেপারের আসল রহস্য ফাঁস করে রাফিন। অভিমানে নিরা ঘর ছেড়ে বের হতেই রূপগঞ্জের শিমুলিয়া লাল শাপলা বিলে নৌকা নিয়ে হাজির হয় রাফিন। গানে আর প্রকৃতির সৌন্দর্যে কি গলবে নিরার জমানো অভিমান?
লৌকিক অন্ধকারের ভয় ও চরম সত্যের আলো
লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে ভয় পাওয়া নিরাকে পরম মমতায় খাবার খাইয়ে শান্ত করে রাফিন। পরদিন উঠোনে এক যুবকের কুনজরে নিরাকে দেখে রাফিন প্রচণ্ড ক্ষোভে ফেটে পড়ে। অতঃপর নিরার সামনে উন্মোচিত হয় অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পেছনের আসল রহস্য—মালিহাকে ফাঁদে ফেলে নিরাকে নির্দোষ প্রমাণের ত্যাগ! রাফিনের এই ভালোবাসা নিরার হৃদয়কে কীভাবে আর্দ্র করে?
বাংলার তাজমহল ও শৈশবের গোপন প্রেম
সোনারগাঁওয়ের বাংলার তাজমহলে ঘুরতে গিয়ে জামদানী শাড়ি কিনে বাসর রাতের আগাম পূর্বাভাস দেয় রাফিন। রাতে পুকুরঘাটে চাঁদের আলোয় রাফিন ফাঁস করে কীভাবে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়া পুতুল নিরাকে প্রথম দেখে নিঃশব্দে বহু বছর ভালোবেসে এসেছে। শৈশবের সেই গোপন প্রেমের গল্প নিরাকে কেমন আবেগে ভাসিয়ে দেয়?
বিদায়ের অশ্রু ও বাসর রাতের পূর্ণতা
উভয় পরিবারের সম্মতিতে ঘরোয়া আয়োজনে সম্পন্ন হয় রাফিন ও নিরার আনুষ্ঠানিক শুভ পরিণয়। বাপের বাড়ি থেকে বিদায় নেওয়ার সময় ভাইবোনদের কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবেশ। অতঃপর রাফিনের ফ্ল্যাটে লাল জামদানিতে মোড়ানো নিরার মাথায় হাত রেখে দোয়া ও ভালোবাসার পবিত্র ছোঁয়ায় শুরু হয় তাদের নতুন দাম্পত্যের সূচনা!
চুমকি ডাক ও তাহাজ্জুদের আলো
শ্বাশুড়ি মায়ের ‘চুমকি’ স্নেহে মুগ্ধ হয় নিরা। ফজরের নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত আর সকালের হাঁটায় রাফিন তাদের যৌথ জীবনকে রূপ দেয় অনন্য এক সুন্নতি জীবনে। বান্ধবীদের আগমনে আনন্দের আড্ডা শেষে গভীর রাতে রাফিনের কাছে ভালোবাসার থেরাপির নামে তাহাজ্জুদের জায়নামাজে দাঁড়িয়ে এক অনন্ত জীবনের দোয়ায় শামিল হয় তারা।
পড়ার টেবিলে অনুশাসন ও মিষ্টি থেরাপি
বাপের বাড়িতে প্রথম নাইওরে গিয়ে পরিবার ও তুহিনের সাথে দেখা হয়। ফ্ল্যাটে ফিরেই নিরাকে অনার্সে প্রথম শ্রেণি পাওয়ার লক্ষ্যে কড়া পড়ার রুটিনে বেঁধে ফেলে ডাক্তার রাফিন। পড়ার টেবিলে অবাধ্যতা করলেই রাফিনের প্রেমের অদ্ভুত শর্ত ও শাসন নিরাকে কেমন অস্থির করে তোলে?
পজেসিভ সুরক্ষার ঝড় ও অশ্রুসজল মান
রাফিনকে ‘চুমকি’ বলে ক্ষ্যাপানো নিয়ে পুরো বাড়ি হাসিতে মেতে ওঠে। কিন্তু পরদিন দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় পাশের যুবকের দৃষ্টি দেখে প্রচণ্ড ক্ষোভে ফেটে পড়ে রাফিন। রাফিনের কটূক্তিতে নিজেকে অপরাধী ভেবে কান্নায় ভেঙে পড়ে নিরা। মসজিদ থেকে ফিরে অনুতপ্ত রাফিনের বুকে নিরার মান ভাঙানোর মুহূর্তটি কেমন গভীর বেদনার ছিল?
প্রথম বর্ষপূর্তি ও নতুন অতিথির আগমন
কৌশিকের সন্তানের খবরে নিরার মনেও জাগে মাতৃত্বের সাধ। ফাইনাল পরীক্ষায় ফার্স্ট ক্লাস পেয়ে উত্তীর্ণ হওয়ায় উপহার হিসেবে নিরা আবদার করে রাফিনের প্রতিচ্ছবি এক সন্তানের। ভালোবাসার সাগরে হারিয়ে যাওয়ার পাঁচ মাস পর বমির অসুস্থতায় ধরা পড়ে সেই বহু প্রতীক্ষিত আনন্দের সংবাদ। পরিবারে আনন্দের বন্যা কীভাবে উপচে পড়ে?
হৃদয়ের কোণে চিরন্তন ভালোবাসা
জরুরি অপারেশনের কথা বলে কপালে শেষ চুম্বন এঁকে বেরিয়ে যায় রাফিন। আর ফেরা হয় না তার; এক নৃশংস প্রতিহিংসার ষড়যন্ত্রে সাদা কাফনে ফিরে আসে রাফিনের মরদেহ। শোকের পাথরে স্তব্ধ নিরা জন্ম দেয় রাফিনের দুই প্রতিচ্ছবি যমজ সন্তানকে। জীবনের প্রান্তে এসে রাফিনের কবরের পাশে কোরআন পড়তে পড়তে নিরার আত্মা কী ঘোষণা দিয়ে যায়?
কোনো অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
হৃদয়ের কোণে (Hridoyer Kone) উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট কী?
হৃদয়ের কোণে উপন্যাসে মোট কয়টি পর্ব রয়েছে?
হৃদয়ের কোণে উপন্যাসের লেখিকা কে?
উপন্যাসটি পড়ার জন্য কি কোনো PDF ডাউনলোড করতে হবে?
গল্পের সমাপ্তি কি মিলনান্তক নাকি ট্র্যাজেডি?
পাঠক রিভিউ ও রেটিং
0 টি রিভিউ · 0 জন পাঠক
0 টি রিভিউ