অভিমানের বরফ

লেখক: ফাতেমা খান 1 মিনিট পড়া 6 শব্দ
সিজন ১ • পর্ব ২০ অভিমানের বরফ সত্যি ভালোবাসো

তাহসিন জারাকে নিজের থেকে দূরে সরিয়ে দিলো।জারা সুযোগ বুঝে যেই পালাতে যাবে তাহসিন জারার হাত ধরে ফেললো।জারা পিছনে তাকালে তাহসিন তাকে পাজাকোলে নিয়ে নেয়।জারা তো অবাকের শেষ সীমায়।এই ছেলে করতে কি চাইছে।তাহসিন জারাকে ছাদের একদম কোনায় এনে বলে-

তাহসিনঃছাদ থেকে পরে মরতে চান নাকি আমাকে বিয়ে না করে বাঁচতে চান।

জারা ভয়ে তাহসিনের গলা জড়িয়ে ধরে বলতে লাগলো-

জারাঃনামিয়ে দিন প্লিজ আমি এখনো বাচ্চা মেয়ে।কত স্বাদ ছিলো বিয়ে করবো,৫-৬টা বাচ্চার মা হবো।সেগুলো নষ্ট হতে দিবেন না।আমি সবাইকে বলে দিবো আমার আপনাকে পছন্দ হয়নি।

✦ AI বাছাই এই গল্পের মতো আরেকটি গল্প
#পারিবারিক #ড্রামা
প্রেমাতাল
লেখক: মৌরি মরিয়ম

চোখের সামনে এমন তীব্র ক্ষোভ আর অন্ধ অধিকার খাটানোর দৃশ্য যেমন নাড়িয়ে দেয়, তেমনই এক সম্পর্কের গল্প মৌরি মরিয়ম-এর 'প্রেমাতাল'।

পড়া শুরু করুন → 1টি সিজন • 57 মোট পর্ব

তাহসিনঃএইতো লাইনে আসছেন।এবার নিচে গিয়ে এটাই বলবেন যে আপনি রাজি না।আর এতোক্ষণ আমি যা যা বলেছি তার একটা কথাও যেনো কারো কানে না যায়।মনে থাকবে তো

জারাঃ হুম মনে থাকবে।আপনি যা বলবেন তাই করবো এবার তো সরে আসুন।

তাহসিন জারাকে ছাদের মাঝখানে এসে নামিয়ে দেয়।আর বলে তাহলে নিচে যাওয়া যাক।সবাই অপেক্ষা করছে।জারাও সম্মতি জানালে দুইজনে নিচে চলে আসে।

আমি ৫দিন পর দেশে ফিরবো।তুমি সব রেডি করে রাখবা কারন আমি পরের দিনই দুবাই ব্যাক করবো।দেশে থাকা রিস্ক হয়ে যাবে।(রেজোয়ান ফোনে কথাগুলো বলছিলো)

মাস্কপরা ব্যাক্তিঃআপনি চিন্তা করবেন না।আমি সব ঠিকঠাক করে রাখবো।এই কয়দিন তাদের একটু আনন্দ করতে দেই কি বলেন।

রেজোয়ানঃতা মন্দ বলো নি।এরপর তো যতদিন বেঁচে থাকবে শুধু কান্নাই লিখা আছে ওর ভাগ্যে আর আরমান বুঝতে পারবে আপনজন হারালে কেমন কষ্ট লাগে।

✦ AI বাছাই এই গল্পের মতো আরেকটি গল্প
#পারিবারিক #ড্রামা
প্রেমের সাতকাহন
লেখক: সুমাইয়া জাহান

চোখের সামনে এমন তীব্র ক্ষোভ আর অন্ধ অধিকার খাটানোর দৃশ্য যেমন নাড়িয়ে দেয়, তেমনই এক সম্পর্কের গল্প সুমাইয়া জাহান-এর 'প্রেমের সাতকাহন'।

পড়া শুরু করুন → 1টি সিজন • 29 মোট পর্ব

মাস্কপরা ব্যাক্তিঃঠিক আছে রাখছি আমি।তাহলে আপনার সাথে আমার ৫দিন পরে দেখা হচ্ছে।

রেজোয়ানঃ হুম রাখছি।(বলে কল কেটে দিলো)

তাহসিন আর জারাকে পাশাপাশি বসানো হলো।তাহসিনকে সবাই জিজ্ঞেস করলো জারাকে তার কেমন লেগেছে,সে বিয়েতে রাজি তো।সে বলল-

তাহসিনঃজ্বি জারাকে আমার খুব ভালো লেগেছে।আর ওকে আমি বিয়ে করতে চাই।

জারাকেও সেইম প্রশ্ন করলে জারা আমতা আমতা করতে থাকে।একপলক তাহসিনের দিকে তাকিয়ে দেখে সে তার দিকে তাকিয়ে চোখের ইশারায় বলছে বলতে।

জারাঃআমারও ওনাকে খুব ভালো লেগেছে,আমার কোনো আপত্তি নেই ওনাকে বিয়ে করতে।(আমাকে ছাদ থেকে ফেলে দেয়া তাইনা,কেমন জব্দ করলাম মিস্টার তাহসিন)

✦ AI বাছাই এই গল্পের মতো আরেকটি গল্প
#ডার্ক রোম্যান্স #রোমান্টিক
অভিমানেই আছো তুমি
লেখক: তানজিল মিম

চোখের সামনে এমন তীব্র ক্ষোভ আর অন্ধ অধিকার খাটানোর দৃশ্য যেমন নাড়িয়ে দেয়, তেমনই এক সম্পর্কের গল্প তানজিল মিম-এর 'অভিমানেই আছো তুমি'।

পড়া শুরু করুন → 1টি সিজন • 13 মোট পর্ব

তাহসিনের মাথায় তো আগুন জ্বলে উঠলো।সে রেগে জারার দিকে তাকালে জারা তাকে সবার আড়ালে চোখ টিপ মারে এটা দেখে তাহসিন আরও রেগে যায়।কিন্তু কিছুই বলতে পারে না।

তারপর তাহসিন আগে জারার অনামিকা আংগুলে আংটি পড়ায়।পরে জারা তাহসিনকে পড়ায়।তারপর জারাকে রুমে নিয়ে যাওয়া হয়।সবাই মিলে বিভিন্ন কথা বলে খাওয়া দাওয়া শেষ করে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়।তখন আবির আহমেদ বলে উঠে জারাকে একটু ডেকে দিতে।তারপর জারা আসলে জারার মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বলল-

আবিরঃআমার ছেলেটাকে সারাজীবন আগলে রাখবে তো।আমি জানি তুমি পারবে আমার ছেলেটাকে ঠিক করতে।ছেলেটা আমার কথাই শুনে না,তুমি বাধ্য করবে তোমার কথা শুনতে, তোমায় ভালোবাসতে।আর ওর সম্পর্কে তোমাকে আগেই সবকিছু বলে নিয়েছি আমি।

তাহসিনঃকি হলো বাবা কি এমন বলছো তারাতাড়ি চলো দেরি হচ্ছে।(জারা আর আবিরের কাছে এগুতে লাগলো)

আবিরঃ হুম চলো।আচ্ছা মা আজ তাহলে আসি।(জারার থেকে বিদায় নিয়ে এগিয়ে গেলো)

হালকা কেশে তাহসিনকে জারা বললো-

জারাঃআপনি যাবেন না।নাকি হবু বউ কে ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করছে না।

তাহসিনঃতোমাকে তো আমি দেখে নিবো,আজ তুমি আমার সাথে একদম ঠিক করো নি বুঝলা।

জারাঃবুঝলাম,আর আমাকে দেখে নেয়ার কথা হলে সারাজীবন পরে আছে দেখার জন্য এখন যান সবাই তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে।

তাহসিন তাকিয়ে দেখে সত্যিই সবাই তাকিয়ে আছে আর মুখ চেপে হাসছে।তা দেখে তাহসিন মাথা চুলকে সামনে এগিয়ে যায়।তারপর সবার থেকে বিদায় নিয়ে তারা বেরিয়ে যায়।

আমি বাসায় এসে ফ্রেশ হতে চলে যাই।৩০মিনিটের মধ্যে বেরিয়ে আসি।এসে দেখি আরিশ ফ্রেশ হয়ে ল্যাপটপে কাজ করছে।হয়তো অন্য ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হইছে।এইদিকে আমি যে রেগে আছি তার দিকে কোনো খেয়াল আছে উনি তো ভালোই আছে।কোথায় আমার রাগ ভাঙাবে তা না করে উনি কাজ করছে।আমিও কথা বলবো না।আমার কাছে এসে কানে ধরে সরি বললেও আমি কথা বলবো না।তারপর বিছানার একপাশে শুয়ে পরি।ঘুম আসছে না।অনেকক্ষণ পর আরিশ এসে আমার অপরপাশে শুয়ে পরলো।কিন্তু কোনো কথা বললো না।আমার আরও রাগ উঠে গেলো।আমি আরিশের দিকে ফিরে তার কলার ধরে বলে উঠলাম তোমার বউ যে রেগে আছে তা তুমি দেখো নি বুঝি।কই রাগ ভাঙাবে তা না করে ঘুমানো হচ্ছে।

আরিশঃআহ ছাড়ো তো সকালে অফিস আছে ঘুমাতে হবে।তোমার সাথে এই ফালতু কথা নিয়ে আমি ঝামেলা করতে চাই না।

তাহিয়াঃআমার রাগ ফালতু।আমার কোনো মূল্য নেই তোমার কাছে।ও এখন তো ওই মিতা না টিতা ওকে ভালো লাগে তোমার।

(ওহ ম্যাডাম তাহলে এইজন্যই রেগে ছিলো।তাহলে ম্যাডাম জেলাস।)

আরিশঃকোন মিতা?

তাহিয়াঃযার সাথে হেসে হেসে কথা বলছিলে।আমি জানি ইচ্ছে করে পরে যাবার নাটক করছিলো যাতে তোমার গায়ে এসে পড়তে পারে।

আরিশঃ ওও… মনে পরেছে ওই সুন্দরী মেয়েটা।খুব সুন্দর দেখতে কি বলো

তাহিয়াঃও এখন আমাকে ভালো লাগে না।এখন ওই শাকচুন্নি কে ভালো লাগে।ও সুন্দর হয়ে গেলো তাই তো।

আরিশঃনা তোমাকে এখন আর ভালো লাগে না।আমার কাছে সবার আগে আমার কাজ।আর এখন মিতা।এবার সরো ঘুমাতে দাও।

আমি তাকে ছেড়ে অন্যদিকে ফিরে শুয়ে পরলাম।খুব কান্না আসছে।চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পরতে লাগলো।আমি আর তার দিকে ফিরলাম না।অনেক কষ্ট হচ্ছে তার কথাগুলো শুনে।

আরিশঃআমাকে ইগনোর করা তাই না।একটু কষ্ট পাও লক্ষীটি।পরশু তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে।সেটা না দেয়া অবদি একটু কষ্ট যে পেতে হবে।সারপ্রাইজ পাবার পর তোমার আর রাগ থাকবে না আমি জানি।

তাহিয়া কান্না করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছে।আরিশ উঠে তাহিয়ার কপালে ভালোবাসার পরশ একে দিলো তারপর তাকে জড়িয়ে ধরে নিজেও ঘুমিয়ে পড়লো।

(যারা ভেবেছিলেন তাহসিন জারাকে কিস করবে তাদের জন্য এক বালতি সমবেদনা)

অধ্যায় 20 সমাপ্ত

আপনি এই অধ্যায়টি পড়া শেষ করেছেন। পরবর্তী পর্বে যান অথবা আপনার প্রতিক্রিয়া জানান!

✦ এই উত্তেজনার পর সামনে কী ঘটতে চলেছে? পরের পর্বটি এখনই পড়ে ফেলুন!

✦ ✦ AI বাছাই: গল্পের এই রোমাঞ্চকর মুহূর্তটি বন্ধুদের সাথেও এক ক্লিকে শেয়ার করতে পারেন।
💬

✦ গল্পের অনুভূতি ও আপনার মতামত

গল্পের এই মোড়ে চরিত্রটির নেওয়া সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আপনার কী মনে হয়? নিচে আপনার ভাবনা শেয়ার করতে পারেন।

এক ট্যাপে মতামত:

মন্তব্যসমূহ

0

আলোচনায় যোগ দিন

মতামত জানাতে এবং পাঠকদের সাথে আলোচনায় অংশ নিতে লগইন করুন।

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

প্রথম মন্তব্যটি করে আলোচনা শুরু করুন!

পরবর্তী পাঠের সুপারিশ

পরবর্তী পাঠ

এই পর্ব শেষ করার পর পড়তে পারেন এমন কিছু রোমাঞ্চকর গল্প।

★ ওয়েব ধারাবাহিক • ধারাবাহিক ১৬ বছর বয়স গল্পহাব মৌলিক
সম্পূর্ণ সিরিজ

১৬ বছর বয়স

১৬ বছর বয়সী এক কিশোরী, যার বিয়ে হয়েছে এমন এক পুরুষের সাথে যে তাকে চায় না। ফুলশয্যার রাতেই স্বামীর রূঢ় আচরণ আর পরিত্যক্ত হওয়ার পর, তাকে আবার সেই স্বামীর সাথেই থাকতে বাধ্য করা হয়। ঘৃণা আর অবহেলা নিয়ে শুরু হওয়া এই জোরপূর্বক সম্পর্ক কি ভালোবাসায় রূপ নেবে, নাকি মেয়েটির জীবনটা শেষ হয়ে যাবে এক না-পাওয়া আর অপমানের গল্পে?

লাকি 0টি সিজন
★ ওয়েব ধারাবাহিক • ধারাবাহিক লাভার নাকি ভিলেন গল্পহাব মৌলিক
সম্পূর্ণ সিরিজ

লাভার নাকি ভিলেন

আকাশের ভালোবাসা আর হিংস্রতার মাঝে মেঘলার জীবন বাঁধা। সবার সামনে অপমান আর আড়ালে আগলে রাখার এই অদ্ভুত খেলায় মেঘলা বিভ্রান্ত। পরিবারের ষড়যন্ত্র আর একের পর এক ভুল বোঝাবুঝি তাদের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে। আকাশের এই দ্বৈত আচরণের পেছনে কি শুধুই ভালোবাসা, নাকি অন্য কোনো গভীর রহস্য?

স্নিগ্ধা হোসাইন মোনা 0টি সিজন
★ ওয়েব ধারাবাহিক • ধারাবাহিক তোমাকে গল্পহাব মৌলিক
সম্পূর্ণ সিরিজ

তোমাকে

একটা ছেঁড়া ফুল নিয়ে শুরু হওয়া বিবাদ পরী আর তুর্যর জীবনকে এমনভাবে জড়িয়ে ফেলবে, যা ছিল কল্পনারও বাইরে। একের পর এক ভুল বোঝাবুঝি আর পারিবারিক ষড়যন্ত্রের মাঝে তাদের সাপে-নেউলে সম্পর্ক কি কখনো ভালোবাসার ছোঁয়া পাবে, নাকি সবকিছুর আড়ালে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো গল্প?

মুন্নি আক্তার প্রিয়া 0টি সিজন
★ ওয়েব ধারাবাহিক • ধারাবাহিক ত্রিধারে তরঙ্গলীলা গল্পহাব মৌলিক
সম্পূর্ণ সিরিজ

ত্রিধারে তরঙ্গলীলা

অভিভাবকদের অতীত ভুলের জেরে হওয়া একটি বিয়ে তিক্ত বিচ্ছেদে শেষ হয়। বহু বছর পর, অনুশোচনা আর নতুন করে জন্মানো ভালোবাসায় জর্জরিত সুহাস তার হারানো স্ত্রী আর অদেখা সন্তানের খোঁজে পাড়ি দেয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। কিন্তু সেখানে গিয়ে এক অচেনা শিশুর মুখে 'পাপা' ডাক শুনে তার পৃথিবী ওলটপালট হয়ে যায়। এই ডাক কি শুধুই কাকতালীয়, নাকি তার পাওয়া না পাওয়ার সমস্ত হিসেব বদলে দেবে?

জান্নাতুল নাঈমা 0টি সিজন