জীবনের ডায়েরী
মাতৃহীন তমার জীবনে সৎমায়ের সীমাহীন নিষ্ঠুরতা আর ষড়যন্ত্রের কালো ছায়া নেমে আসে। ভালোবাসার মানুষ শ্রাবণ আর পরিবারের অস্তিত্ব যখন অতল অন্ধকারে হারিয়ে যায়, তখন ডায়েরির পাতায় বন্দি হয় এক নিঃসঙ্গ সংগ্রাম। তমা কি পারবে এই নির্মম ভাগ্যের জাল ছিন্ন করে আপনজনদের ফিরে পেতে, নাকি আত্মত্যাগের আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে তার সমস্ত স্বপ্ন?
জীবনের ডায়েরী উপন্যাসটির প্রথম খণ্ড (৩০ পর্ব) এবং দ্বিতীয় খণ্ড (২৪ পর্ব) মিলিয়ে মোট ৫৪টি পর্ব সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সকল পর্বের লিংক ও পূর্ণাঙ্গ গল্প নিচে পাঠকদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।
গল্পের বিশেষত্ব ও হাইলাইটস
নিখাদ আত্মত্যাগ ও সম্পর্কের দ্বৈরথ
নিজের ভালোবাসার সুখের জন্য অন্যের স্বপ্নকে রক্ষা করার এক অভূতপূর্ব মানসিক লড়াইয়ের চিত্র।
পারিবারিক চক্রান্ত ও রোমাঞ্চকর অনুসন্ধান
সৎমায়ের গোপন রূপ, লোভের মোহ এবং রহস্যময় নিখোঁজ পর্বের পরতে পরতে ছড়িয়ে থাকা চরম সাসপেন্স।
বাস্তবমুখী নাটকীয় পরিসমাপ্তি
অন্ধকারের বুক চিরে আলোর আগমন এবং জীবনের অমূল্য ডায়েরিতে ভালোবাসা ও সত্যের চূড়ান্ত বিজয়।
প্রধান চরিত্রসমূহ
6তমা
কেন্দ্রীয় চরিত্র (Protagonist)মাতৃহীন এক আত্মত্যাগী তরুণী। সৎমায়ের অমানবিক অত্যাচার আর ভাগ্যের নির্মম চক্রান্ত সহ্য করেও নিজের আত্মসম্মান ও পরিবারের ভালোবাসা রক্ষায় অবিচল।
শ্রাবণ
নায়ক (Male Lead)তমার গভীর অনুভূতির ভালোবাসার মানুষ। যে তমাকে ফিরে পেতে জীবন বাজি রাখতে দ্বিধা করে না এবং পরবর্তীতে দুঃসাহসী পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সত্য উন্মোচনে নামে।
রিয়া
ঘনিষ্ঠ বান্ধবী (Loyal Best Friend)তমার বিপদে-আপদে বটবৃক্ষের মতো আগলে রাখা আজীবন বিশ্বস্ত বান্ধবী ও বোনের চেয়েও আপন আশ্রয়।
আকাশ
সহচর ও বন্ধু (Ally)রাকিবের ভাগ্নে এবং পরিস্থিতির শিকার এক যুবক। তমার মহৎ ত্যাগে নিজের ভালোবাসাকে ফিরে পেয়ে তমার বিপদে অকৃত্রিম পাশে দাঁড়ায়।
তুলি
ছোট বোন (Stepsister)তমার সৎমায়ের মেয়ে হলেও তমাকে নিজের গর্ভধারিণী মায়ের চেয়েও বেশি ভালোবাসে এবং শেষপর্যন্ত তার সত্য রক্ষক হয়ে দাঁড়ায়।
রাকিব ও সৎমা
খলচরিত্র (Antagonists)টাকার লোভ, নারী পাচার ও পারিবারিক চক্রান্তের জাল বিস্তারকারী নির্দয় কুশীলব।
সূচিপত্র ও সিজনসমূহ
54 টি অধ্যায়
প্রথম খণ্ড: অবহেলা ও আত্মত্যাগ
মাতৃহীন তমার অবহেলিত শৈশব, শ্রাবণের সাথে গভীর প্রণয় এবং পরিস্থিতির নির্মম চাপে এক অসম বিয়ের মুখোমুখি হওয়ার হৃদয়বিদারক আখ্যান।
স্মৃতির মলিন পাতা
এতিমখানার কোণে বসে একলা তমা খুলে বসে তার অতীতের গোপন ডায়েরি। চার বছর বয়সে মা হারানোর পর যে সৎমায়ের আগমনে পরিবারে শান্তির আশা জেগেছিল, ছোট বোন তুলির জন্মের পর সেই সংসারে শুরু হয় নিদারুণ অবহেলা। এই অবহেলার আড়ালে কি জমা হচ্ছে আরও বড় কোনো নির্মম পরিণতি?
বাবার বিদায় ও নিঃসঙ্গ দিন
পরীক্ষা শেষে বাবার বদলির খবরে তমার পায়ের নিচের মাটি যেন সরে যায়। সপ্তাহে মাত্র দুদিনের জন্য বাড়ি ফেরা বাবা বিদায় নিতেই বিশ্বস্ত কাজের বুয়াকেও ছাঁটাই করে দেয় সৎমা। একা ঘরে সব কাজের বোঝা আর অসহায় তমার জীবনে নেমে আসে কী ভয়ঙ্কর অন্ধকার?
পোড়া হাতের গোপন যন্ত্রণা
রান্না করতে গিয়ে গরম ভাতের মাড়ে তমার হাত পুড়ে মারাত্মক ক্ষতের সৃষ্টি হয়, কিন্তু সহানুভূতির বদলে জোটে সৎমায়ের কঠোর লাঞ্ছনা। বাবার সাপ্তাহিক আগমনে ক্ষতচিহ্ন ওড়না দিয়ে লুকাতে চাইলেও কি বাবার স্নেহময় চোখের দৃষ্টি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে?
রক্তাক্ত কাঁচ ও দুঃস্বপ্নের রাত
হাত পোড়ার খবর বাবা জেনে যাওয়ায় তমার ওপর সৎমায়ের ক্ষোভ চরমে ওঠে। প্লেট ভাঙার অপরাধে ভাঙা কাঁচ দিয়ে তমার হাতে আঘাত করে সৎমা। রক্তক্ষরণ আর জ্বরে অচেতন তমা যখন স্বপ্নে মৃত মায়ের হাত ধরতে চায়, তখন বাস্তবে তার সামনে কী ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে?
কলেজ গেটের আকস্মিক সংঘাত
এসএসসি পাসের পর কলেজে প্রথম দিনে পা রাখতেই গেটে এক যুবকের সাথে অসাবধানতাবশত ঘটে তীব্র সংঘর্ষ। রক্তাক্ত কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধার মুহূর্তে ক্ষুব্ধ শ্রাবণের অপরাধবোধ যেন এক নতুন পরিচয়ের সূত্রপাত ঘটায়। এই ক্ষতের দাগ কি তমার জীবনে ভালোবাসার সূচনা করবে?
রেস্তোরাঁর অপ্রত্যাশিত স্বীকারোক্তি
বন্ধুত্বের এক মাসের মাথায় রেস্তোরাঁয় ডেকে শ্রাবণ যখন আচমকা তমার প্রতি নিজের তীব্র অনুরাগের কথা ঘোষণা করে, তখন তমা চরম ক্ষোভে সেখান থেকে উঠে চলে আসে। নিজের ভাগ্যহত জীবনের অন্ধকার ছায়ায় কাউকে জড়াতে না চাওয়া তমার এই কঠোর প্রত্যাখ্যান কি শ্রাবণের জেদ আরও বাড়িয়ে তুলবে?
অচেনা দাবির চরম হুমকি
হঠাৎ তমার রুমে এসে সৎমা এমন এক গোপন কারণে দুই লাখ টাকার অদ্ভুত আবদার তোলে যা বাবাকে জানানো যাবে না। অন্যায্য আবদারে সায় না দেওয়ায় সৎমায়ের চোখেমুখে জ্বলে ওঠে অন্ধ আক্রোশের আগুন। বাবার অগোচরে সৎমায়ের এমন রহস্যময় দাবির পেছনে কী বিষাক্ত ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে?
মধ্যরাতের ছাদ ও চরম আলটিমেটাম
কলেজ যাওয়া বন্ধ করে ঘরের সব কাজে তমাকে বন্দি করে ফেলে সৎমা, সাথে দেয় ডিভোর্সের হুমকি। এমন দমবন্ধ করা রাতে শ্রাবণ ছাদে এসে যদি তমার সাড়া না পায় তবে আত্মহত্যার চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়ে বসে। ভালোবাসার এই উন্মাদ দাবি আর সৎমায়ের বিষাক্ত রোষানলে তমা কোন পথে পা বাড়াবে?
রক্তাক্ত কব্জি ও হাসপাতালের আর্তনাদ
শ্রাবণের ফোন বন্ধ থাকার পর ভোরে রিয়ার ফোন আসতেই তমার পৃথিবী ওলটপালট হয়ে যায়—হাতের রগ কেটে হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুর সাথে লড়ছে শ্রাবণ। রক্তাক্ত শ্রাবণের শয্যাপাশে দাঁড়িয়ে তমা বুঝতে পারে, অস্বীকার করার সমস্ত প্রাচীর ভেঙে গেছে। তবে কি এই ভালোবাসার দাম দিতে হবে অনেক বড় কোনো মূল্যে?
এক ফোঁটা রক্ত ও জীবনের ডাক
হাসপাতালের এক কেবিনে মৃত্যুর প্রহর গোনা অচেনা প্রসূতি মায়ের জন্য রক্তের তীব্র সংকট দেখে নিজের শরীর দুর্বল থাকা সত্ত্বেও তমা রক্ত দিতে ছুটে যায়। সদ্যোজাত শিশুকে মাতৃস্নেহ বঞ্চিত না করার এই মরিয়া লড়াইয়ে তমা কি কেবল অন্যের জীবন বাঁচাচ্ছে, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো নিয়তির ইশারা?
স্বর্ণের শিকল ও বিষাক্ত অপবাদ
রক্ত দিয়ে বাঁচানো ফুটফুটে নবজাতকের গলায় নিজের গলার সোনার চেইন পরিয়ে বাড়ি ফিরতেই সৎমায়ের কুৎসিত অপবাদের তীরে তমার হৃদয় ক্ষতবিক্ষত হয়। ঘরের আপদ বলে চিৎকার করা সৎমায়ের নোংরা আক্রমণের সামনে তমার আত্মসম্মান কি এবার বিদ্রোহী হয়ে উঠবে?
উত্তপ্ত কফি ও দগ্ধ অভিমান
চেইন হারিয়ে ফেলার মিথ্যা ক্ষোভে তমার দিকে ফুটন্ত গরম কফি ছুড়ে মারে সৎমা, যার তীব্র তাপে তমার পা ঝলসে যায়। যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকা তমা কি এই অবর্ণনীয় অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে বাবার সম্মতির আশ্রয়ে বান্ধবীর বাড়ি পাড়ি জমাতে পারবে?
নিশুতি রাতের মিষ্টি প্রতিশ্রুতি
হাসপাতালের নিরব রাতে শ্রাবণ তমার কোলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ে, আর তাদের দুজনের এই নির্মল ভালোবাসার মাঝে এসে দাঁড়ায় ভবিষ্যতের এক নাম না জানা শঙ্কা। শ্রাবণের গভীর চাহনি আর খুনসুটির আড়ালে তমার মনে কি জেগে উঠছে কোনো আসন্ন ঝড়ের পূর্বাভাস?
উন্মত্ত ঘরের নোংরা আসর
রিয়াদের বাড়ি থেকে ফিরে নিজের ঘরের ড্রয়িংরুমে অচেনা নারী-পুরুষের মদ্যপান আর নোংরা আড্ডা দেখে স্তব্ধ হয়ে যায় তমা। সৎমায়ের এই বেপরোয়া জীবনযাপন আর এক লম্পট বন্ধুর লোলুপ দৃষ্টির মুখে দাঁড়িয়ে তমার কঠোর প্রতিবাদ কি পরিবারে আনবে ভয়াবহ কোনো সংঘাত?
নীল শাড়ি ও গরম ভাতের পাতিল
জন্মদিনের রাতে শ্রাবণের দেওয়া নীল শাড়ি পরে ছাদের জোছনায় ভালোবাসার মিষ্টি প্রহর কাটলেও সকালের আলো ফুটতেই ফিরে আসে দুঃস্বপ্ন। কফি দেরিতে হওয়ার অজুহাতে ফুটন্ত ভাতের পাতিলে তমার হাত ডুবিয়ে দেয় সৎমা। বাবার চোখের সামনে এই নির্মম সত্য প্রকাশ পেলে কী ঘটতে চলেছে?
বিচ্ছেদের রুক্ষ সুর ও বিষের থালা
সপ্তাহখানেক নিখোঁজ থাকার পর ছাদে ডেকে আচমকা তমাকে চিরতরে ভুলে যাওয়ার নির্মম সিদ্ধান্ত জানায় শ্রাবণ। ভালোবাসার এই অপ্রত্যাশিত বিচ্ছেদের আঘাত কাটতে না কাটতেই দুপুরের খাবারে দুই লোকমা ভাত খেতেই বিষক্রিয়ায় লুটিয়ে পড়ে তমা। এই বিষের পেছনে কার হাত?
রহস্যময় নীরবতা ও বিয়ের প্রস্তাব
হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেও সংসারের শান্তির খাতিরে সৎমায়ের বিরুদ্ধে মুখ খোলে না তমা। এমন অসহায় ক্ষণে বাবা যখন তমার বিয়ে দিয়ে তাকে এই নরক থেকে মুক্ত করতে চান, তখন বুকের মাঝে লুকিয়ে থাকা শ্রাবণের স্মৃতি তমাকে কোন পরিণতির দিকে ঠেলে দেবে?
শেষ অনুনয় ও নতুন পাত্র
শ্রাবণের বাড়িতে গিয়ে শেষবারের মতো ভালোবাসার মর্যাদা চাইতে গিয়ে মা-ছেলের চরম অপমানের শিকার হয় তমা। বাবার মুখে হাসি ফোটাতে পাত্র দেখতে আসার প্রস্তাবে মাথা নাড়লেও সামনে যাকে দেখতে পায়, সে আর কেউ নয়—সৎমায়ের লম্পট বন্ধু রাকিবের ভাগ্নে আকাশ! এই সমাপতন কি নিখাদ নিয়তি, নাকি গভীর ষড়যন্ত্র?
রক্তাক্ত অনুপস্থিতি ও জীবন্ত লাশ
বিয়ের কার্ড দিতে গিয়ে তমা জানতে পারে শ্রাবণকে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে মারধর করে তাড়িয়ে দিয়েছে। লাল বেনারসি পরে যখন কাজির মুখে ‘কবুল’ বলার সময় আসে, তখন চোখ দিয়ে এক ফোঁটা অশ্রুও ঝরে না পাথর হয়ে যাওয়া তমার। তবে কি এক জীবন্ত লাশের বেশেই তমার বিদায় হলো?
বাসর রাতের অসম চুক্তি
বাসর রাতে পা রাখতেই সমস্ত দ্বিধার অবসান ঘটিয়ে আকাশ স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তার হৃদয়ে অন্য প্রেমিকা মেঘার বসত এবং মামা রাকিবের কালো টাকার ছায়া। নিজের হারানো ভালোবাসার বেদনা থেকে তমা যখন স্বামীর প্রেমিকাকে মিলিয়ে দেওয়ার অপ্রত্যাশিত প্রতিশ্রুতি দেয়, তখন দুই অচেনা হৃদয়ের ভাগ্যে কী লেখা হয়?
কালো টাকার প্রাসাদ ও মমতাময়ী ছায়া
রাকিবের লোলুপ চোখের চাহনি তমাকে শ্বশুরবাড়িতে শিউরে তোলে, অথচ শাশুড়ি তমাকে মেয়ের স্নেহে আপন করে নেন। সৎমা ও রাকিবের দীর্ঘদিনের গোপন যোগাযোগের সত্যতা জানতে পেরে তমা কি বুঝতে পারবে তাকে এই প্রাসাদে আনার নেপথ্যের কুৎসিত কারণটি?
নিস্তব্ধ বাড়ি ও মেঘার মুখোমুখি
কাজের মেয়ে নাফিজার মুখে রাকিবের অন্ধকার চরিত্র আর তমার সৎমায়ের ঘনঘন বান্ডিল বান্ডিল টাকা নেওয়ার চাঞ্চল্যকর কথা শুনে তমা থমকে যায়। দ্বিধাদ্বন্দ্বের মাঝে আকাশের হাত ধরে রেস্তোরাঁয় মেঘার মুখোমুখি হতে গিয়ে তমার আত্মবিশ্বাস কি মেঘার চরম অবিশ্বাস দূর করতে পারবে?
অবিশ্বাসের মেঘ ও বিশ্বাসের প্রতিশ্রুতি
রেস্তোরাঁয় মেঘার তীব্র সন্দেহের মুখে দাঁড়িয়ে তমা বোঝায় ভালোবাসার মানুষকে হারানোর অপরিসীম যন্ত্রণা। চারজনের জীবন নষ্ট না করে ছয় মাসের মধ্যে ডিভোর্স দিয়ে আকাশ ও মেঘাকে মিলিয়ে দেওয়ার যে দায়িত্ব তমা কাঁধে তুলে নেয়, তা কি তার নিজের জীবনের অন্ধকার আরও বাড়িয়ে দেবে না?
বাবার কোল ও নীল বেদনার রাত
বাবার বাড়ি ফিরে বাবাকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেও রাতে একা ছাদে গিয়ে শ্রাবণের দেওয়া নীল শাড়িতে নিজেকে সাজায় তমা। বান্ধবীর কাঁধে মাথা রেখে সারারাত ঝরানো চোখের জলে কি শ্রাবণের স্মৃতি এতটুকু ফিকে হবে, নাকি তা আরও তীব্র হয়ে বুকে বিঁধবে?
কক্সবাজারের ছক ও গোপন শত্রুতা
হানিমুনের নাম করে আকাশ, মেঘা এবং নাফিজাকে নিয়ে কক্সবাজার পাড়ি জমায় তমা, যাতে গোপনে তাদের বিয়ের চূড়ান্ত পরিকল্পনা সাজানো যায়। কিন্তু পুলিশ অফিসারের মেয়ে মেঘার সাথে রাকিবের পুরনো শত্রুতার খবর কি তাদের এই গোপন অভিযানকে কোনো চরম বিপদের মুখে ফেলবে?
বালিয়াড়ির ছায়ামূর্তি ও আকস্মিক পতন
সমুদ্রসৈকতে হঠাৎ এক পলকের জন্য দূর বালিয়াড়িতে শ্রাবণকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তমা পাগলের মতো ছুটে যায়, কিন্তু সেখানে পৌঁছাতেই নিমিষে শূন্য হয়ে যায় চারপাশ। তীব্র মাথা ব্যথায় বালুর ওপর অজ্ঞান হয়ে পড়া তমার এই দৃষ্টি কি শুধুই চোখের ভুল, নাকি শ্রাবণ সত্যিই ছিল সেখানে?
দরজার ওপারে লোলুপ থাবা
শাশুড়ি ও নাফিজা গ্রামে যাওয়ায় ফাঁকা বাড়িতে ড্রয়ারে ফাইল খোঁজার সময় আকস্মিক রুমে ঢোকে রাকিব এবং তমাকে কেনা সম্পত্তি বলে দাবি করে গায়ে হাত দিতে আসে। আকাশ ঠিক মুহূর্তে এসে পৌঁছে তমাকে রক্ষা করলেও তমার মনে জেগে ওঠে এক ভয়াল প্রশ্ন—সৎমা কি তবে সত্যি টাকার বিনিময়ে তমাকে বিক্রি করে দিয়েছিল?
বান্ধবীর বিদায় ও বিষাক্ত ছায়া
আজীবন পাশে থাকা একমাত্র বান্ধবী রিয়ার বিয়ের পর লন্ডনে পাড়ি জমানোর মুহূর্তে তমার বুক ভেঙে যায় একাকীত্বের হাহাকারে। বাবার হস্তক্ষেপে অফিসের চাকরি পেয়ে আকাশ কর্মস্থলে চলে যেতেই একা বাড়িতে আবার সুযোগ খুঁজতে শুরু করে রাকিব। এবার কে বাঁচাবে তমাকে?
ডিভোর্সের সই ও আত্মত্যাগের মহত্ত্ব
ছয় মাসের প্রতীক্ষা শেষে কাজী অফিসে আকাশের সাথে তমার ডিভোর্স চূড়ান্ত হয় এবং তমা নিজে দাঁড়িয়ে আকাশ ও মেঘার শুভ পরিণয় সম্পন্ন করে। তবে বাবার বাড়িতে ফিরতেই নিজের সংসারে অপয়া ডিভোর্সি মেয়ের কোনো জায়গা নেই বলে সৎমায়ের তাণ্ডব তমাকে কোন পথে ঠেলে দেয়?
অন্ধকার রাজপথ ও চিরচেনা পদধ্বনি
বাবার জন্য একখানা বিদায়ী চিঠি রেখে রাতের অন্ধকারে একা ঘর ছাড়ে তমা এবং আশ্রয় খুঁজে নেয় এক নির্জন এতিমখানায়। দুই বছর পর জন্মদিনে হঠাৎ আলো জ্বলে উঠতেই তমার সামনে এসে দাঁড়ায় বহুদিনের হারিয়ে যাওয়া চিরচেনা দুই মুখ। এই পুনর্মিলন কি সব হারানোর সমাপ্তি, নাকি নতুন রহস্যের শুরু?
দ্বিতীয় খণ্ড: সত্যের উন্মোচন ও পুনর্মিলন
হারিয়ে যাওয়া বাবার সন্ধান, সৎমায়ের অন্ধকার অপরাধের রহস্যোদ্ঘাটন এবং হৃদয় নিংড়ানো আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ভালোবাসার চূড়ান্ত বিজয়।
অচেনা বার্তার বিষাক্ত ফিসফিসানি
আকাশ ও মেঘাকে ফিরে পাওয়ার পর তমার ফোনে আসতে শুরু করে অজানা নাম্বার থেকে একটার পর একটা ভয়ঙ্কর হুমকি। বাবার গোপন বিশাল এক জমির জন্য তমার জীবন তছনছ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে অচেনা লোকটি যখন বাবার ঠিকানার ইঙ্গিত দেয়, তখন তমার সামনে জেগে ওঠে কোন অমীমাংসিত সত্য?
বিমানবন্দরের অশ্রু ও শ্রাবণের ছায়া
এয়ারপোর্টে তমার জন্য অপেক্ষা করে থাকা সারপ্রাইজটি দেখে স্তব্ধ হয়ে যায় তমা—লন্ডন থেকে ছুটে এসেছে তার প্রাণের সই রিয়া। দীর্ঘদিনের বিচ্ছেদ ঘুচে যাওয়ার আনন্দের মাঝেই রিয়া যখন জানায় শ্রাবণ এখন কক্সবাজারে পুলিশ অফিসার হিসেবে কর্মরত, তখন তমার বুক কেন অজানা শিহরণে কেঁপে ওঠে?
বারান্দার স্পর্শ ও অতীতের সত্য
প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত তমা বারান্দায় দাঁড়াতেই এক বহু চেনা হাতের আলতো স্পর্শে শিউরে ওঠে—সামনে দাঁড়িয়ে স্বয়ং শ্রাবণ। দুই বছর আগের অপমানের পেছনে কোনো নির্মম পরিস্থিতি লুকিয়ে ছিল তা আংশিক প্রকাশ পেলেও, তমার ডিভোর্সি পরিচয় কি তাদের মাঝে চিরস্থায়ী দেয়াল তুলে দেবে?
মায়ের অশ্রু ও কানের কাছে ফিসফিস
শ্রাবণের মা তমাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে নিজের অজান্তেই ভুলের ক্ষমা চান, যেন তাদের মাঝে কোনো দূরত্বই ছিল না। এদিকে ঘরের মাঝে তমার কাছে শ্রাবণের মধুর খুনসুটি আর কান কামড়ে দেওয়ার দুষ্টুমির আড়ালে তমার বাবার ঠিকানার যে রহস্যময় ফোন আসে, তা কী বার্তা বয়ে আনল?
বিষ ও রক্তের নারকীয় ইতিহাস
শ্রাবণের মায়ের মুখে তমা জানতে পারে এক লোমহর্ষক ইতিহাস—সৎমা কীভাবে গুন্ডা ভাড়া করে শ্রাবণকে প্রায় মেরেই ফেলেছিল এবং তমাকে বিষ খাইয়েছিল কেবল শ্রাবণকে সরিয়ে অন্য কোথাও তমাকে বেচে দেওয়ার জন্য। ফোনের ওপার থেকে আব্বুকে শেয়াল-কুকুরে খাওয়ার চরম হুমকি শুনে তমা কি জ্ঞান হারাবে?
সড়কের ধাওয়া ও রক্তাক্ত বোন
রাস্তায় গুন্ডাদের তাড়া খেয়ে প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে আসা এক বোরখা পরা রক্তাক্ত কিশোরীকে উদ্ধার করতেই তমার চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়—এ যে তার আদরের বোন তুলি! সারা শরীরে নিদারুণ নির্যাতনের দাগ নিয়ে হাসপাতালে শুয়ে থাকা তুলি কোন অন্ধকার সত্যের দ্বার উন্মোচন করতে চলেছে?
পাচারের ছক ও বন্দী পিতা
তুলির বর্ণনায় বেরিয়ে আসে সৎমা ও রাকিবের নারী পাচারের কুৎসিত ব্যবসা এবং বাবাকে হার্ট অ্যাটাকের পর জিম্মি করে সম্পত্তি লিখে নেওয়ার বর্বর ইতিহাস। পুলিশ নিয়ে শ্রাবণ যখন বন্দিশালায় হানা দিয়ে বহু বছর পর বাবাকে অক্ষত ফিরিয়ে এনে তমার বুকে তুলে দেয়, তখন সেই মিলন কি সব ক্ষতের উপশম ঘটাতে পারবে?
লোভ, কারাগার ও বিবেকের দংশন
থানায় হাতকড়া পরা সৎমা আর রাকিবের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তমা যখন তাদের অন্যায়ের কারণ জানতে চায়, তখন সৎমা স্বীকার করে লোভ ও মোহের অন্ধকারের সমস্ত নীলনকশা। নিজের গর্ভজাত সন্তান তুলিকে পাচার করতে চাওয়া মায়ের এই স্বীকারোক্তি কি তাকে চিরতরে নরকের আগুনে ঠেলে দেবে না?
রান্নাঘরের ময়দা ও গোপন কল
শ্রাবণের রান্নাঘরে ময়দা মাখামাখি কান্ডে হাসির রোল উঠলেও শ্রাবণের নাছোড়বান্দা রোমান্সে তমার মুখে আনন্দের আলো ফোটে। কিন্তু টেবিলে নাস্তা খাওয়ার ঠিক মুহূর্তে শ্রাবণের ফোনে আসা এক গোপন কল শ্রাবণের মুখের সমস্ত রঙ কেন নিমিষে উড়িয়ে দেয়?
গোলাপি শাড়ি ও রক্তমাখা ট্রলি
বিয়ের কেনাকাটার জন্য গোলাপি শাড়িতে সেজে শ্রাবণের সাথে রিকশায় চড়তেই শ্রাবণের মুখে শোনাতীত অতীতের কোনো এক না-বলা সত্যের আভাস মেলে। কিন্তু পথিমধ্যে এক জরুরি কলে হাসপাতালে ছুটে গিয়ে তমা দেখতে পায় এক গুরুতর অ্যাক্সিডেন্ট—কে এই রক্তাক্ত নিপা?
কাজল ধোয়া জল ও অচেনা প্রেমিকা
হাসপাতালের করিডোরে নিপার বোনের মুখে 'শ্রাবণ ভাইয়া নিপা আপুকে ভালোবাসে' শুনে তমার চোখের কাজল অশ্রুজলে ভেসে যায়। এক বছর ধরে শ্রাবণের জীবনে অন্য কোনো নারীর অস্তিত্ব ছিল জেনে তমার বহুদিনের সাজানো প্রেমের স্বপ্ন কি চিরতরে চূর্ণ হয়ে গেল?
অমাবস্যার রাত ও ত্যাগের শপথ
শ্রাবণ নিজের কক্সবাজারের অসুস্থতার দিনগুলোতে নিপার সেবা আর সম্পর্কের ব্যাখ্যা দিতে চাইলেও তমা কঠোরভাবে নিপাকে ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। চাঁমহীন অমাবস্যার আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে তমা কি নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে নিপার হাতেই তুলে দিতে চলেছে শ্রাবণকে?
ধ্বংসপ্রাপ্ত কিডনি ও চরম সিদ্ধান্ত
অ্যাক্সিডেন্টে নিপার দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং হাতে মাত্র তিন-চার দিন সময় থাকার খবর শুনে তমা নিজের ক্ষোভ ভুলে ব্যাকুল হয়ে ওঠে। বাবার ব্যাংকে রেখে যাওয়া দশ লাখ টাকার সবটুকু তুলে দিয়ে নিপাকে বাঁচানোর যে সংকল্প তমা নেয়, তা কি তমাকে সবার চোখে অপরাধী বানাবে নাকি দেবদূত?
ক্রোধের চড় ও অবাধ্য ভালোবাসা
সতীনতুল্য প্রতিদ্বন্দ্বীকে বাঁচাতে বাবার সঞ্চিত অর্থ খরচের সিদ্ধান্তে ক্ষিপ্ত হয়ে রিয়া তমার গালে সজোরে চড় বসিয়ে দেয়। শ্রাবণ তমার ভুল ভাঙানোর চেষ্টা করলেও তমার একরোখা মন নিজের ভালোবাসাকে বিলিয়ে দেওয়ার এমন পাগলামিতে কেন জড়িয়ে পড়ছে?
একটি অঙ্গের মূল্য ও নীরব আত্মদান
পুরো শহরে কোথাও কোনো কিডনি না মেলায় এবং নিপার মৃত্যুর প্রহর ঘনিয়ে আসায় তমার মাথায় জেগে ওঠে এক অবিশ্বাস্য চিন্তা। নিজের শরীরের একটি কিডনি গোপনে নিপাকে দান করে শ্রাবণের ভালোবাসাকে বাঁচিয়ে রাখার এই চরম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত কি সফল হবে?
ডাক্তারের গোপন চুক্তি ও মিথ্যা সফর
ডাক্তারকে অনুরোধ করে নিজের পরিচয় গোপন রেখে কিডনি দেওয়ার ব্যবস্থা করে তমা, আর পরিবারকে এতিমখানার কাজের বাহানা দেয়। পুরো শহর ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে তমা যখন নিজেকে মৃত্যুর মুখে সঁপে দিতে চলেছে, তখন নিয়তি কি সত্যি তাকে মরতে দেবে?
শেষ আলিঙ্গন ও অশ্রুসিক্ত প্রহর
অপারেশনের আগের রাতে শ্রাবণ তমার কাছে এসে হাউমাউ করে কেঁদে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং নিপার সুস্থতার পর তমাকেই বউ করে ঘরে তোলার আকুল মিনতি জানায়। এই অশ্রুসিক্ত কথার আড়ালে তমার বুকে জমা হওয়া নিঃশব্দ বিদায়ের আর্তনাদ কি শ্রাবণ শুনতে পাবে?
অচেনা দাতার আকস্মিক কিডনি
হাসপাতালে তমা নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত হয়ে ডাক্তারের জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে হঠাৎ জানতে পারে, নিপার অপারেশন ইতোমধ্যেই সফলভাবে অন্য এক কিডনি দিয়ে সম্পন্ন হয়ে গেছে! রাতারাতি কোথা থেকে এলো এই অলৌকিক কিডনি, আর কে এই নিঃস্বার্থ দাতা?
ভাগ্যবতীর রহস্য ও গালের চড়
জ্ঞান ফেরার পর নিপা তমাকে দেখে বলে ওঠে 'আপু আপনি খুব ভাগ্যবতী'। এর পরপরই তমা অন্য কাউকে বিয়ে করার কথা তুলতেই ক্ষিপ্ত শ্রাবণ তমার গালে সজোরে চড় মেরে খুন করে ফেলার হুমকি দেয়। ভালোবাসার এই তীব্র অধিকারবোধের মাঝে ডাক্তার যখন রহস্যময় দাতার সাথে দেখা করতে ডাকে, তখন তমা কাকে দেখবে?
এক পথের দুই নিঃস্বার্থ পথিক
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা হৃদয় প্রকাশ করে তার তিন বছরের গোপন প্রেমের গল্প—যে ভালোবেসে নিপাকে নিজের কিডনি দিয়েও কোনো প্রতিদান চায়নি। তমার আত্মত্যাগের কথা শুনে অনুপ্রাণিত হওয়া হৃদয়ের এই নিঃস্বার্থ প্রেম কি তমার চোখে সম্পর্কের এক নতুন অর্থ উন্মোচন করবে?
অপমানজনক সন্দেহ ও আকস্মিক থাপ্পড়
হৃদয়কে বাসায় দেখে শ্রাবণ কুৎসিত সন্দেহে তমার চরিত্র নিয়ে নোংরা অপবাদ দিলে প্রচণ্ড ক্ষোভে শ্রাবণের গালে থাপ্পড় বসিয়ে দেয় তমা। যাকে ভালো রাখতে তমা নিজের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত ছিল, সেই ভালোবাসার মানুষের এমন নীচ সন্দেহ কি তমাকে চিরতরে এই শহর ছাড়তে বাধ্য করবে?
দরজায় দাঁড়ানো সত্য ও হৃদয়ের টান
বাড়ি ছেড়ে বের হওয়ার মুহূর্তে দরজায় সপরিবারে নিপা ও আকাশের উপস্থিতি সবকিছু স্তম্ভিত করে দেয়। নিপা অশ্রুজলে প্রকাশ করে শ্রাবণের হৃদয়ে কেবল তমারই রাজত্ব ছিল, আর হৃদয়ই সেই মানুষ যে নিপাকে নিজের কিডনি দিয়েছে। সত্যের এই জোয়ারে তমা কি এবার শ্রাবণের ঘরে ছুটে যাবে?
এক আসরে জোড়া বিয়ের সানাই
শ্রাবণের ঘরে ঢুকে কাঁদতে থাকা শ্রাবণকে জড়িয়ে ধরে সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটায় তমা। নিপা হৃদয়ের ভালোবাসাকে বরণ করে নেয় এবং একই আসরে তমা-শ্রাবণ ও নিপা-হৃদয়ের বিয়ের দিন ধার্য হয় আগামী পরশু! বহু বছরের ঝড়ের পর এই সুখের আলো কি সত্যিই স্থায়ী হবে?
ডায়েরির পূর্ণতা ও বাসর রাতের প্রহর
সবার উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে তমা আর শ্রাবণের বহুল প্রতীক্ষিত বাসর রাতের মধুর সানাই বেজে ওঠে। ডায়েরির মলিন পাতায় যে অবহেলার কান্নার সূচনা হয়েছিল, ভালোবাসার পরম পূর্ণতায় সেই 'জীবনের ডায়েরি' খুঁজে পায় তার চিরন্তন সুখের ঠিকানা। তমার এই জয় কি প্রতিটি মাতৃহীন মেয়ের আশার প্রতীক নয়?
কোনো অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
জীবনের ডায়েরী (Jiboner Diary) উপন্যাসের মূল কাহিনী কী?
জীবনের ডায়েরী উপন্যাসে মোট কতটি পর্ব এবং সিজন রয়েছে?
জীবনের ডায়েরী উপন্যাসের লেখক কে?
জীবনের ডায়েরী উপন্যাসটি কি অনলাইনে বিনামূল্যে পড়া যাবে নাকি PDF লাগবে?
জীবনের ডায়েরী কি সমাপ্ত উপন্যাস নাকি চলমান?
পাঠক রিভিউ ও রেটিং
0 টি রিভিউ · 0 জন পাঠক
0 টি রিভিউ