অপ্রত্যাশিত দৃষ্টিপাত

2 মিনিট পড়া 314 শব্দ
অপ্রত্যাশিত দৃষ্টিপাত

আজ শপিং করে যখন বাসায় আসতে ছিলাম তখন মনে হল আমার পিছনে কেউ আছে।কেন জানি মনের ভেতরে খুব ব্যাথা অনুভব করতেছিলাম কে আছে আমার পিছনে? মন কেন বার বার পিছনে ফেরে তাকাতে ইচ্ছে করছে।একবার তাকিয়ে দেখি।যখন তাকিয়ে দেখলাম তখন মনে হল আমি কি সত্যি এই মানুষটাকে দেখতে পাচ্ছি। এইতো আর কেউ নয় অনিক।এইতো আমার অনিক।আমার মনে হল অনেক অভিমান নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।সেই ৫ বছর আগের অনিকে সাথে এখনকার অনিক কোনো মিল নাই।মিল থাকবে কি করে, আমি যে অনিক কে ভালোবাসতাম সেই এতোটা স্মার্ট ছিলোনা।ছিলনা তার কোনো টাকা,ছিলনা বিলাসবহুল বাড়ী, ছিলনা গাড়ী, ছিল শুধু আমার প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা। আজ তার সব আছে নাই শুধু আমি। যাই হোক ওর কথা বলতে বলতে আমার পরিচয় টা দেওয়া হল না।আমি নিশিতা। দেখতে এতো আহামরি কিছুনা। তবে সবাই বলে আমি নাকি অনেক কিউট। একটু আগে যার কথা বলছিলাম সে অনিক।৫ বছর আগে এই মানুষটা কে আমি আমার জীবনের চেয়ে বেশী ভালোবাসতাম।কথা গুলো ভাবতে ভাবতে কখন যে সই আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে ছিল আমি টেরই পেলাম না।

অনিক-কেমন আছো নিশিতা?

আমি তখন কি বলবো ভেবে পাচ্ছিলাম না।আমি শুধু তাকিয়ে আছি ওর সেই চোখ গুলোর দিকে, যেই চোখের দিকে তাকালে আমি সব ভুলে যেতাম।যেই চোখের দিকে তাকালে আমি আমার সব প্রশ্নের উওর খুঁজে পেতাম। হঠাৎ মনে হল আজ আমি ওর চোখের দিকে কেন তাকিয়ে আছি।আমি কি আজও ওকেই ভালোবাসি? তাই আমি ওর চোখ কি বলছে জানার চেষ্টা করছি?

অনিক- কি হল কথা বলবেনা আমার সাথে?

ভাবনার মধ্য তার কথা গুলো শুনে চমকে গেলাম।তারপর কিছু না ভেবেই বললাম।

আমি- হুম,অনেক ভালো আছি।

অনিক – তোমাকে দেখে তা মনে হয় না। তুমি ভালো নেই আমি জানি।

আমি- আপনি ডাক্তার সেই কথা জানি, কিন্তু মানুষ দেখেই কে কেমন থাকতে পারে তাও বলে দিতে পারেন

তা তো জানতাম না।

অনিক – ঠিক বলেছো সবাই কে পারি না।কিন্তু তোমাকে দেখে বলতে পারি। কারণ এই মানুষটাই,,

ওকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে আমি বলে পেললাম,

আমি- কারণ এই মানুষটাই আপনার জীবনের । অভিশাপ

অধ্যায় 1 সমাপ্ত

আপনি এই অধ্যায়টি পড়া শেষ করেছেন। পরবর্তী পর্বে যান অথবা আপনার প্রতিক্রিয়া জানান!

মন্তব্যসমূহ

0

আলোচনায় যোগ দিন

মতামত জানাতে এবং পাঠকদের সাথে আলোচনায় অংশ নিতে লগইন করুন।

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

প্রথম মন্তব্যটি করে আলোচনা শুরু করুন!