আমার আসক্তি যে তুমি
মেডিকেল ছাত্রী রিয়ানা প্রতিদিন সকালে দরজার সামনে পায় রক্তিম ফুল ও নামহীন আবেগঘন চিঠি। এক রূঢ় ও রাশভারী ডাক্তারের অধীনে কাজ শুরু করতেই এক অদৃশ্য ছায়া তার চারপাশের জগতকে নিজের উন্মাদ ভালোবাসায় ঘিরে ফেলতে শুরু করে। রিয়ানার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে যে উন্মাদ ছায়া পাহারা দিচ্ছে, সে কি তার রক্ষাকর্তা নাকি ধ্বংসের কারণ?
সিজন ১ সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে (মোট ৫৬ পর্ব)। সম্পূর্ণ উপন্যাসটি কোনো চার্জ ছাড়াই অনলাইনে বিনামূল্যে পড়ার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।
গল্পের বিশেষত্ব ও হাইলাইটস
তীব্র পজেসিভনেস ও সাইকোলজিক্যাল থ্রিল
একটি নিখাদ ভালোবাসা যখন সীমাহীন অধিকারবোধ আর অন্ধ উন্মাদনায় রূপ নেয়, তার শ্বাসরুদ্ধকর মনস্তাত্ত্বিক চিত্রায়ন।
রহস্যময় প্রেম ও অচেনা রক্ষক
প্রতিদিনের নামহীন চিঠি আর ফুলের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক চিরচেনা ছায়ার টানাপোড়েন।
বাস্তবতার সংঘাত ও পারিবারিক রাজনীতি
হাসপাতালের কর্মব্যস্ত পরিবেশ থেকে নির্জন পাহাড়ি ক্যাম্পের বৈরী পরিস্থিতি পেরিয়ে জীবনের নাটকীয় মোড়।
প্রধান চরিত্রসমূহ
5রিয়ানা রহমান
নায়িকা (Protagonist)এতিম ও আত্মমর্যাদাশীল মেডিকেল ছাত্রী। শৈশবে বাবা-মাকে হারিয়ে নানা প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে।
ডা. সাদাত খান রিয়ান
নায়ক (Male Lead)দেশের শীর্ষ কার্ডিওলজিস্ট। ব্যক্তিত্বে চরম রাশভারী ও কঠোর হলেও রিয়ানার প্রতি তার রয়েছে বহুবছরের রুদ্ধশ্বাস, অনমনীয় ও উন্মাদ আসক্তি।
আবির আরহাম
রকস্টার ও কাজিনবিখ্যাত সংগীতশিল্পী এবং রিয়ানের চাচাতো ভাই। যার উজ্জ্বল খ্যাতির অন্তরালে জমে আছে অতীতের গভীর ক্ষত ও ঈর্ষা।
আরিশা
ঘনিষ্ঠ বান্ধবীরিয়ানার সুখ-দুঃখের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সহচরী ও মেডিকেল সহপাঠী, যে সর্বদা রিয়ানার সুরক্ষায় ঢাল হয়ে দাঁড়ায়।
রিংকি
ঘনিষ্ঠ বান্ধবীহাস্যোজ্জ্বল, চঞ্চল ও স্পষ্টবাদী সহপাঠী; বন্ধুদের প্রতিটি বিপদে নিঃশর্তভাবে পাশে থাকা এক প্রাণবন্ত সঙ্গী।
সূচিপত্র ও সিজনসমূহ
56 টি অধ্যায়
প্রথম খণ্ড: উন্মাদ ভালোবাসা ও অন্ধ আসক্তি
রিয়ানার জীবনে অচেনা ফুলের সুবাস আর ডা. রিয়ানের অনমনীয় অধিকারবোধের সূচনা থেকে এক দীর্ঘ গোপন উন্মাদনার ভয়াল উন্মোচন।
অদৃশ্য স্পর্শের শিহরণ
নিশিরাতের গভীরে ঘুমের ঘোরে নেমে আসা এক জীবন্ত স্পর্শে কেঁপে ওঠে রিয়ানা। সকালে দরজার ওপারে সাদা গোলাপ আর অজ্ঞাত পরিচয় এক প্রেমিকের চিরকুট তার দিন বদলে দেয়। কে এই অচেনা ছায়া যে রাতের আঁধারে তার শ্বাসপ্রশ্বাসের প্রতিটি মুহূর্ত পাহারা দেয়?
অপমানের চরম পরিণতি
মেডিকেল প্রাঙ্গণে এক উদ্ধত যুবকের কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ জানায় রিয়ানা। কিন্তু সেই আত্মসম্মানের মূল্যে কি অপেক্ষা করছে কোনো ভয়ানক রক্তক্ষয়ী শাস্তি? রাতের অন্ধকারে রিয়ানার শত্রুকে চরম শিক্ষা দিতে কোন ছায়া এগিয়ে আসে?
অপেক্ষার শেষ প্রহর
লেকপাড়ে বন্ধুদের খুনসুটির মাঝে দেশের শীর্ষ রকস্টারের আগমন নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে রিয়ানার দরজায় পৌঁছায় কসমস ফুলের তোড়া আর এক সতর্কবার্তা—অপেক্ষার দিন নাকি এবার ফুরিয়ে আসছে। কোন অচেনা খাঁচায় বন্দি হতে চলেছে রিয়ানা?
কাদামাখা তিক্ত সাক্ষাৎ
দুই বছরের অভ্যাসে ছন্দপতন ঘটিয়ে দরজায় মেলে না কোনো ফুল। বিষণ্ণ মনে হাসপাতালে যাওয়ার পথে এক দাম্ভিক অচেনা তরুণের গাড়ির কাদায় ভিজে একাকার হয় রিয়ানার পোশাক। এই তিক্ত সংঘাত কি কোনো দীর্ঘ শত্রুতার সূচনা?
অবাঞ্ছিত গন্তব্যের সহযাত্রী
রাতের অন্ধকারে এক ক্ষুব্ধ প্রেমিকের হাত থেকে রক্ষা পায় না রিয়ানাকে অপদস্থকারী সেই দামি গাড়িটিও। পরদিন সকালে হন্তদন্ত হয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পথে রিয়ানা আবিষ্কার করে, তার রাইডের সহযাত্রী আর কেউ নয়—সেই তিক্ত পরিচয়ের অহংকারী তরুণ!
কঠোর শিক্ষকের কঠিন পরীক্ষা
হাসপাতালের বিখ্যাত কার্ডিওলজিস্টের পরিচয় পেতেই বজ্রাহত হয় রিয়ানা—যে তরুণকে সে অপমান করেছে, সেই তার মেন্টর ডা. রিয়ান! কঠিনতম অ্যাসাইনমেন্টের বোঝায় পিষ্ট হয়ে রাতে কেবিনের বাইরে সে মুখোমুখি হয় রক্তাক্ত এক রকস্টারের!
নিশীথ রাতের মায়াবী ঘ্রাণ
মধ্যরাতে অচেনা আবিরের গাড়িতে বাড়ি ফেরার পর ক্লান্ত রিয়ানার ঘরে নিঃশব্দে প্রবেশ করে এক ছায়ামূর্তি। ঘুমে আচ্ছন্ন রিয়ানা নিজের অজান্তেই কার হাতটি আঁকড়ে ধরে পরম শান্তিতে ঘুমিয়ে পড়েছিল?
বিব্রতকর প্রশ্নের ফাঁদ
অনুমতি না নিয়ে রিয়ানের কেবিনে ঢুকে এক অদ্ভুত অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে যায় রিয়ানা। তার বোকামিপূর্ণ রসিকতায় কঠোর ডাক্তারের ঠোঁটে কি ফুটে ওঠে নিঃশব্দ হাসি, নাকি আবারও জমে ওঠে ঝড়ের মেঘ?
পুরোনো ক্ষতের ছায়া
হাসপাতালের করিডোরে আবির আর রিয়ানের আকস্মিক মুখোমুখি হওয়া যেন এক রুদ্ধশ্বাস অগ্নিস্ফুলিঙ্গ তৈরি করে। তাদের চোখের ভাষ্য কি কেবল অচেনা দুটি মানুষের দূরত্ব, নাকি রক্তের ভেতরে জমে থাকা কোনো অন্ধকার সংঘাত?
পঞ্চ ফুলের শেষ চিঠি
দরজার সামনে রাখা বিশাল ডালায় পাঁচ স্তরের ফুল আর পাঁচটি হৃদয়স্পর্শী চিরকুট রিয়ানার দুচোখে নামিয়ে আনে অশ্রু। সেই বেনামী ভালোবাসার চিরবিদায় কি তাকে আরও বড় কোনো বিপদের দিকে ঠেলে দিতে চলেছে?
পাহাড়ের পথে হৃদস্পন্দন
রাঙামাটির দূর পাহাড়ি ক্যাম্পের বাসে অপ্রত্যাশিতভাবে রিয়ানের পাশে বসতে হয় রিয়ানাকে। গানের কলি নিয়ে খুনসুটির পর গভীর রাতে ঘুমন্ত রিয়ানার অসতর্ক স্পর্শ কেন রিয়ানের কঠিন হৃদয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করে?
জোছনা রাতের লুকোচুরি
পাহাড়ি গ্রামের খোলা প্রান্তরে রাতে একা চাঁদের আলো উপভোগ করতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে যায় রিয়ানা। গভীর খাদে তলিয়ে যাওয়ার আগেই তাকে নিজের শক্ত বাহুডোরে কে টেনে আনল?
অভিমানের শীতল দেয়াল
রিয়ানের আঘাতপ্রাপ্ত হাতের ক্ষত পরম যত্নে পরিষ্কার করে দেয় রিয়ানা, কিন্তু বিনিময়ে মেলে তার চিরচেনা রাশভারী দূরত্ব। গভীর অভিমান বুকে চেপে নদীর পাড়ে পা ভেজাতে গিয়ে হঠাৎ পেছনের ধাক্কায় স্রোতের অতলে তলিয়ে যেতে থাকে রিয়ানা!
অতলে তলিয়ে যাওয়ার ভয়
মৃত্যুর মুখ থেকে আবিরের মাধ্যমে উদ্ধার পাওয়ার পর ক্যাম্পের খাটে চোখ মেলে রিয়ানা। তার পাশে রক্তচক্ষু নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা রিয়ানের চোখে কি নিছক চিকিৎসকের উদ্বেগ, নাকি উন্মাদ ঈর্ষার জ্বলন্ত শিখা?
দ্বৈত রূপের অন্ধকার খেলা
পাহাড়ের নির্জন গেস্টহাউসে প্রকাশ পায় আবিরের ভয়ংকর পৈশাচিক রূপ—নায়ক সাজতে সে নিজেই তৈরি করেছিল মৃত্যুর ফাঁদ! অন্যদিকে পাহাড়ি কুয়াশার মাঝে রিয়ানার হাত কার স্পর্শে কেঁপে ওঠে?
অধিকারবোধের চরম শাসন
পা মচকে বসে থাকা রিয়ানাকে কোলে তুলে নিয়ে ক্যাম্প প্রাঙ্গণে সকলের সামনে বজ্র হুংকার দেয় রিয়ান। রিয়ানার গালে অকস্মাৎ এক উত্তপ্ত চুম্বন এঁকে দিয়ে সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়—তার নির্দেশের অবাধ্য হলে নেমে আসবে ভয়াল শাস্তি!
অতীতের জমাট বাঁধা ঘৃণা
টিলার চূড়ায় বসে রিয়ানের ব্যথাতুর কণ্ঠে গান শোনার পর উন্মোচিত হয় তার ও আবিরের পারিবারিক রক্তাক্ত ইতিহাস। কেন দুই ভাইয়ের রক্তে মিশে গেছে চিরন্তন প্রতিহিংসা? সেই অন্ধকারের মাঝে রিয়ানাকে নিয়ে কোন বিপদের সংকেত মিলছে?
পাহাড়ি বিধির নিষ্ঠুর বাঁধন
গহীন উপজাতি গ্রামে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গিয়ে আটকা পড়ে রিয়ান ও রিয়ানা। গ্রামের কঠোর অনুশাসন রক্ষায় সর্দার মিয়াং ঘোষণা করে নির্মম মৃত্যুদণ্ড—যদি না তারা অবিলম্বে নিজেদের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করে!
জোরপূর্বক সম্পর্কের স্বীকারোক্তি
বিয়ের আসরে 'কবুল' বললেও বাসরকক্ষে রিয়ানার মুখ থেকে বেরিয়ে আসে বিচ্ছেদের দাবি। ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে রিয়ান যখন রিয়ানাকে বাহুডোরে পিষে ভালোবাসার আগুন স্বীকার করে, তখন কি সব দূরত্ব মুছে যাবে?
রক্তাক্ত প্রতিশোধের সূচনা
অন্ধকার প্রকোষ্ঠে চেয়ারে বাঁধা আবিরের সামনে ধারালো ছুরি হাতে দাঁড়ায় রিয়ান। রিয়ানার গায়ে হাত দেওয়ার চরম শাস্তি হিসেবে আবিরের কণ্ঠনালী কেটে দিয়ে কোন প্রতিশোধের পর্দা টেনে দেয় সে?
হঠাৎ সানাইয়ের সুর
রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে রিয়ানার দরজায় উপস্থিত হয় রিয়ান। পরের মাসের পাঁচ তারিখে সামাজিক বিয়ের আকস্মিক ঘোষণা শুনে হতবাক হয়ে যায় রিয়ানা—যে এতিম মেয়ের কেউ নেই, তার জন্য এত বড় আয়োজন কীভাবে সম্ভব?
অপ্রত্যাশিত আনন্দের বিস্ফোরণ
ক্যাফেতে বন্ধুদের কাছে নিজের বরের নাম প্রকাশ করতেই টেবিলে তুলকালাম কাণ্ড বাঁধে। আরিশা ও রিংকির সাথে পারিবারিক ভালোবাসার আলিঙ্গনে ভেসে উঠলেও আবিরের রহস্যময় নীরবতা রিয়ানার মনে খচখচ করতে থাকে।
অশুভ সংবাদের তীব্র আঘাত
নিউইয়র্কে আবিরের ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনা ও চিরতরে কণ্ঠ হারিয়ে ফেলার খবর রিয়ানার আকাশ ভেঙে দেয়। শোকাহত রিয়ানাকে মাঝরাতে নিজের বুকে টেনে সান্ত্বনা দিলেও রিয়ানের চোখের গভীরে কোন গোপন সত্য লুকানো?
বাজারের ভিড়ে ভয়ের পদধ্বনি
বিয়ের কেনাকাটার ফাঁকে ভিড়ভাট্টায় এক অচেনা অবয়বের সাথে ধাক্কা খেয়ে থমকে দাঁড়ায় রিয়ানা। সেই চেনা কুৎসিত হাসির মুখে কি লুকিয়ে আছে তার ফেলে আসা জীবনের কোনো নারকীয় স্মৃতি?
পুরোনো বিভীষিকার পুনরাবৃত্তি
ছয় বছর আগের সেই ভয়াল অতীত আরিয়ানের ফিরে আসার বার্তায় কাঁপতে থাকে রিয়ানা। মধ্যরাতে ছাদের কার্নিশে দাঁড়িয়ে যখন সে নিজের অস্তিত্ব নিয়ে কাঁদছে, তখন পেছন থেকে আসা এক উষ্ণ স্পর্শে আত্মরক্ষায় কার গালে চড় বসিয়ে দেয় সে?
ভুল স্পর্শের কঠোর প্রতিদান
অন্ধকারে চড় মেরে রিয়ানকে দূরে ঠেলে দেওয়ার পর ক্ষমা প্রার্থনায় ব্যাকুল হয়ে ওঠে রিয়ানা। কিন্তু কালকের এনগেজমেন্টের ঘোষণার আনন্দের মধ্যেও ফোনে আসা একটি অচেনা বার্তা কেন তার জীবনকে নরক বানানোর হুমকি দেয়?
অজানা আশঙ্কার কালো মেঘ
এনগেজমেন্টের সকালে আরিয়ানের ব্ল্যাকমেইলের ভয়ে ভেঙে পড়ে রিয়ানা। বন্ধুদের অভয় পেয়ে সত্য প্রকাশের সংকল্প নেওয়ার মুহূর্তেই দরজায় কার আগমন পুরো দৃশ্যপট স্তব্ধ করে দেয়?
বিবর্ণ স্মৃতি ও আশীর্বাদ
হারিয়ে যাওয়া বাবা-মায়ের বাঁধাই করা ছবি দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে রিয়ানা। সন্ধ্যায় কালো আর লাল গাউনে মোহময়ী রূপ ধারণ করে যখন সে অনুষ্ঠানে পা রাখে, তখন পুরো হলরুমে নেমে আসে স্তব্ধতা।
হাজারো চোখের সামনে নিবেদন
হাঁটু গেড়ে সবার সামনে রিয়ানার অনামিকায় ভালোবাসার আংটি পরিয়ে দেয় রিয়ান। সেই জাদুকরী মুহূর্তের রেশ কাটতে না কাটতেই প্রবেশদ্বারে উদয় হয় এমন একজন, যাকে দেখে রিয়ানার পায়ের নিচের মাটি সরে যায়!
অতীতের বিষাক্ত নিঃশ্বাস
রিয়ানের খালাতো ভাই হিসেবে আরিয়ানের পরিচয় রিয়ানার রক্ত হিম করে দেয়। গোপনে রিয়ানার কাছে এসে আরিয়ানের বিষাক্ত শাসানি—সত্য প্রকাশ হলে কে টিকবে এই ভালোবাসার সংসারে?
মিষ্টি আলোর আড়ালে ষড়যন্ত্র
বাগানের মাঝে গোপনে কেক কেটে রিয়ানকে সব সত্য বলতে গিয়েও পারিবারিক দুর্ঘটনায় বাধা পায় রিয়ানা। একা পেয়ে আরিয়ান তার দিকে ছুঁড়ে দেয় শেষ সতর্কবাণী—তার পাতা ফাঁদে কি রিয়ানা নিজেকে বলি দেবে?
মরিয়া সিদ্ধান্তের চরম পরিণতি
রিয়ানের মিথ্যা দুর্ঘটনার খবর শুনে পরিত্যক্ত গোডাউনে ছুটে যায় রিয়ানা। সেখানে ভুয়া আপত্তিকর ছবির ব্ল্যাকমেইল সইতে না পেরে ঘরে ফিরে কেন সে চরম আত্মঘাতী পথ বেছে নেয়?
হৃদয়ভাঙা আর্তনাদ ও চড়
হাসপাতালের বিছানায় রিয়ানার জ্ঞান ফিরতেই সপাটে চড় বসিয়ে দেয় ক্ষোভে উন্মত্ত রিয়ান। তাকে হারানোর ভয়ে রিয়ানের এই তীব্র কান্নার আড়ালে কি লুকিয়ে আছে আরিয়ানের জন্য নির্ধারিত ভয়ংকর কোনো মৃত্যু?
পাপের নির্মম হিসাবনিকাশ
অন্ধকার গোডাউনে আরিয়ানকে বন্দি করে তার প্রতিটি অন্যায়ের ভিডিও স্বীকারোক্তি আদায় করে রিয়ান। রিয়ানার সম্মানহানির চেষ্টাকারীর প্রতিটি অপরাধের শেষ পরিণতি কি শুধুই অনিবার্য বিনাশ?
অভিমান ভাঙানোর মরিয়া চেষ্টা
রিয়ানের দূরত্ব সইতে না পেরে গভীর রাতে তার বাসার নিচে উপস্থিত হয় রিয়ানা। রাগান্বিত স্বামীকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে সে—রিয়ানের বরফ গলা মন কি তাকে কাছে টেনে নেবে?
সুরে ছন্দে নতুন উচ্ছ্বাস
রিয়ান তার আঘাত ভুলে হলুদ সন্ধ্যার নাচের মহড়ায় এক অচেনা আনন্দে মেতে ওঠে। ছাদের ওপর বন্ধুদের খুনসুটি আর যুগল নাচের তাল কি আসন্ন উৎসবের আনন্দকে পরিপূর্ণ করে তুলতে পারবে?
হলুদ সন্ধ্যার নৃত্যঝংকার
লেমন লেহেঙ্গায় অপরূপা রিয়ানা এবং রিয়ানের চোখধাঁধানো নৃত্য পরিবেশনায় মুখরিত হয় পুরো আসর। কিন্তু ওয়াশরুমের ফাঁকা করিডোরে রিয়ানার দিকে রড হাতে তেড়ে আসা ছায়ামূর্তিটি কার?
প্রথম স্পর্শের অধিকার
সবার আড়ালে নির্জন কক্ষে রিয়ানার গালে প্রথম কাঁচা হলুদ ছুঁইয়ে দেয় রিয়ান—তার অধিকার সে কাউকেই দিতে রাজি নয়। এই নিবিড় ভালোবাসার আড়ালে ছাদের সিঁড়িতে তেল ঢেলে কার মৃত্যুর ফাঁদ পাতা হয়েছিল?
রঙিন উৎসবের মাঝে বিপদ
ছাদে লাল-সবুজ আবিরের খেলায় রিয়ানার গালে নিজের অনুভূতির রঙ মেখে দেয় রিয়ান। চোখে রঙ ঢুকে সিঁড়ি দিয়ে নামার মুহূর্তে রিয়ানার পা পিছলে পড়ে যাওয়ার আগমুহূর্তে ত্রাতা হয়ে কে তাকে ধরে ফেলে?
রক্তিম বরণ ও কম্পন
গাঢ় লাল বেনারসি আর স্বর্ণালঙ্কারে সেজে বিয়ের পিঁড়িতে বসে রিয়ানা। কবুল বলার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ডা. রিয়ানের সাথে একাত্ম হওয়ার ঠিক পরেই স্টেজের ওপর ঝুলে থাকা ঝাড়বাতিটি খসে পড়ে কার মাথার ওপর?
মৃত্যুফাঁদ ও বিদায়ের কান্না
মাত্র দুই ইঞ্চির দূরত্বে ঝাড়বাতি থেকে রিয়ানাকে টেনে বাঁচিয়ে ইভেন্ট ম্যানেজারের ওপর হিংস্র আক্রোশে ঝাঁপিয়ে পড়ে রিয়ান। আনন্দের আসরে এই মৃত্যুর ছক কি শুধুই দুর্ঘটনা, নাকি কারও চক্রান্ত?
বাসর রাতের নিশ্চুপ প্রশান্তি
রক্তগোলাপ আর কাঠগোলাপের সুবাসে সাজানো বাসরকক্ষে রিয়ানার ক্লান্ত চুলে তোয়ালে বুলিয়ে দেয় রিয়ান। শেষ রাতে প্রাইভেট নাম্বার থেকে আসা একটি ফোনে রিয়ানের চোখে কেন হিংস্র খুনের পিপাসা জেগে ওঠে?
অভিশপ্ত উপহারের বীভৎস বার্তা
সকালে প্লাটিনামের নাকফুল পরিয়ে বউকে সাজানোর পর বিয়ের উপহারের স্তূপ খুলতে বসে রিয়ানা ও কাজিনরা। কঙ্কালের রেপিং পেপারে মোড়ানো একটি উপহার খুলতেই পুরো ঘর কাঁপিয়ে আর্তনাদ করে ওঠে কেন সবাই?
রক্তাক্ত পুতুলের হিম আতঙ্ক
রক্তে ভেজা ও চোখ উপড়ানো পুতুল দেখে অসুস্থ হয়ে পড়ে রিয়ানা। রাতে শয়নকক্ষে রিয়ানের হাত ধরে টান দিতেই কেন তার হাতের চামড়া অদ্ভুতভাবে কুঁচকে ওঠে—কী লুকানো সেই ত্বকের আড়ালে?
ক্ষতের গভীরে লুকানো নাম
কৃত্রিম চামড়া সরাতেই রিয়ানের রক্তাক্ত হাতে ছুরি দিয়ে খোদাই করা 'রিয়ানা' নামটি দেখে স্তম্ভিত হয়ে যায় রিয়ানা। ভালোবাসা প্রমাণ করতে সে নিজেও যখন নিজের হাতে ছুরি চালাতে যায়, তখন রিয়ানের উন্মাদনা কোন চূড়ায় পৌঁছায়?
পথের মাঝে আকস্মিক আঘাত
বৌভাতের রাজকীয় অনুষ্ঠান শেষে রিয়ানার বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হতেই রাস্তায় ঘটে যায় ভয়াবহ চাকা বিস্ফোরণ! রিয়ানার মাথা বাঁচাতে গিয়ে রিয়ান রক্তাক্ত হলেও রাস্তার মাঝে পেরেকের ফাঁদ দেখে কার রক্ত গরম হয়ে ওঠে?
পরিকল্পিত বিপদের কালো থাবা
রাস্তার পেরেকের ফাঁদ স্পষ্ট করে দেয় যে কেউ সুপরিকল্পিতভাবে তাদের হত্যা করতে চেয়েছিল। ছাদের দোলনায় বসে রিয়ানের মিষ্টি কণ্ঠে গান শোনার পর দরজায় সাঁটানো চিরকুট তাদের জন্য কী বার্তা নিয়ে এলো?
বন্ধ ঘরের গোপন চাবি
এক মাস পর নিজের ফেলে আসা ফ্ল্যাটের বই আনতে গিয়ে রিয়ানের ড্রয়ার থেকে রিয়ানা খুঁজে পায় ৫০৫ নম্বর ফ্ল্যাটের গোপন চাবি! পাশের সেই শূন্য ফ্ল্যাটে রিয়ানের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে?
অন্ধকার ফ্ল্যাটের ভয়াল পর্দাফাঁস
৫০৫ নম্বর ফ্ল্যাটের তালা খুলতেই রিয়ানার সামনে উন্মোচিত হয় ভয়াল নারকীয় দৃশ্য—দেয়ালজুড়ে তার পাঁচ বছরের গোপন ছবি, তার রুমের লাইভ সিসিটিভি এবং স্ক্রিনে রকির নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রক্তমাখা ফুটেজ!
খুনির মুখোশে প্রিয় মুখ
হাতে ছুরি তুলে নিয়ে রিয়ানের খুনি পরিচয় প্রত্যাখ্যান করে রিয়ানা। কিন্তু রক্তে রঞ্জিত রিয়ানের একরোখা হুংকার—পৃথিবীর কোনো শক্তিই তাকে রিয়ানার থেকে আলাদা করতে পারবে না!
বন্দিদশার নির্ঘুম প্রহর
নিজের ফ্ল্যাটে বন্দি রিয়ানাকে জোরপূর্বক খাইয়ে দিয়ে রক্তমাখা হাতে নিজের ক্ষতের ব্যথায় ডুবে থাকে রিয়ান। ভোরের আলো ফুটতেই দরজা খুলে রিয়ানা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে দরজার মুখে কী অপেক্ষা করছিল?
উন্মাদ প্রেমের দীর্ঘ ইতিহাস
পালানোর চেষ্টায় ক্ষিপ্ত রিয়ান দেয়াল ভেঙে তছনছ করে দেয় এবং প্রকাশ করে তার পাঁচ বছরের নিশীথ পাহারার ইতিহাস। রিয়ান ঝড়ের বেগে ঘর ছাড়লে মেঝের ধুলোয় কার ডায়েরিটি খুঁজে পায় রিয়ানা?
পুরোনো ডায়েরির অশ্রুভেজা পাতা
ডায়েরির পাতায় পাতায় ফুটে ওঠে পাঁচ বছর আগে হাসপাতালে রিয়ানার কান্নারত মুখ দেখে এক যুবকের ভালোবাসায় নিঃস্ব হওয়ার ইতিহাস। সেই অপরিচিত মেয়েটির অশ্রু মোছাতে সে কীভাবে নিজের সত্তাকে বিসর্জন দিয়েছিল?
রক্তের সম্পর্ক ও ত্যাগের সত্য
মেডিকেল রিপোর্ট প্রকাশ করে রিয়ানের মানসিক ব্যাধির কারণ, আর ডায়েরির পাতা জানায় আবিরকে বাঁচাতে রিয়ানের নিজের কিডনি দানের আত্মত্যাগের কথা! সত্য জানার পর রিয়ানা দরজায় পা রাখতেই সামনে কে এসে দাঁড়াল?
বন্দুকের নলের মুখে মোড়বদল
রিভলভার হাতে প্রতিশোধ নিতে এসে রিয়ানের আত্মত্যাগের ডায়েরি পড়ে স্তব্ধ হয়ে যায় আবির। কিন্তু তাদের বাঁচাতে গিয়ে ডা. আজিজের উদ্যত বন্দুকের বুলেট কার রক্তে মেঝেকে ভাসিয়ে দিল?
দশ বছরের পূর্ণতা ও ছায়া
দশ বছর পেরিয়ে সংসার আর সন্তান নিয়ে পূর্ণতার হাসিতে বাঁচে রিয়ানা ও তার পরিবার। কিন্তু মাঝরাতে নিঃশব্দে গাড়ি হাঁকিয়ে রিয়ান যখন আঁধারের বুক চিরে নতুন কোনো শত্রুকে নিশ্চিহ্ন করতে বের হয়, তখন প্রমাণ হয়—আসক্তি কি কখনো শেষ হয়?
কোনো অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
আমার আসক্তি যে তুমি (Amar Asokti Je Tumi) উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট কী?
আমার আসক্তি যে তুমি উপন্যাসের মোট কয়টি পর্ব রয়েছে?
আমার আসক্তি যে তুমি উপন্যাসটির লেখিকা কে?
উপন্যাসটি কি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অনলাইনে পড়া যাবে?
উপন্যাসটিতে কি কোনো সিক্যুয়েল বা দ্বিতীয় সিজন রয়েছে?
পাঠক রিভিউ ও রেটিং
0 টি রিভিউ · 0 জন পাঠক
0 টি রিভিউ